বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে গ্রেফতার বাংলাদেশি সুন্দরী, লাইভের মধ্যেই দরজা ভেঙে প্রবেশ পুলিশের!
৯ এপ্রিল ঢাকা পুলিশ গ্রেফতার করে বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী (Bangladeshi actress) মেঘনা আলমকে। সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঝুঁকির মুখে ফেলার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। ২০২০ সালে বাংলাদেশ মিস আর্থ শিরোপা বিজয়ী মডেল মেঘনা। তাঁর গ্রেফতারিতে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ৯ তারিখ ঢাকার ফ্ল্যাট থেকে মেঘনাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় ফেসবুক লাইভও করেন মেঘনা (Meghna Alam)।
ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ফ্ল্যাটে ঢুকে পড়া কয়েকজনকে বেরিয়ে যেতে বলছেন মেঘনা। তিনি থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করবেন বলেও বলতে শোনা যায়। তারপরেও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় এক প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী মেঘনা আলম একজন বিবাহিত কূটনীতিকের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার দাবি করার পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। মেঘনা অভিযোগ করেছিলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি এখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তায় তাকে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

অভিযোগ, মেঘনা ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের (Ambassador of Saudi Arabia) সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল বলে সমাজমাধ্যমে বেশ কয়েকটি পোস্ট করেন। সেখানে মেঘনা অভিযোগ করেন, স্ত্রী এবং সন্তান থাকা সত্ত্বেও ওই কূটনীতিক তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। যেহেতু মেঘনা ওই কূটনীতিকের বিষয়ে সবকিছু জেনে ফেলেছেন, তাই এখন নিজের প্রভাব খাটয়ে বাংলাদেশ সরকারকে (Government of Bangladesh) দিয়ে তাঁর মুখ বন্ধ করাতে চাইছেন ওই কূটনীতিক।
এদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট (১৯৭৪)-র অধীনে অভিনেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, মেঘনা সাধারণ মানুষের জীবন এবং নিরাপত্তাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। বাংলাদেশের স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট অনুযায়ী গ্রেফতারের পর যে কাউকে কোনও বিচার ছাড়াই ইচ্ছেমত আটকে রাখতে পারবে পুলিশ। গ্রেফতারের পর বাংলাদেশের কাশিমপুর জেলে রাখা হয়েছে তাঁকে। আপাতত ৩০ দিনের জন্য মেঘনাকে আটকে রাখার নির্দেশ আদালতের।
স্থানীয় প্রতিবেদন অনুসারে, মেঘনার লাইভ ইতিমধ্যেই ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। ১২ মিনিটের লাইভ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। আলমকে কোনও নিয়মমাফিক অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে। আলমকে অপহরণ করার অভিযোগে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ সমালোচনার মুখোমুখি হলেও, বিভাগ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে প্রতিবেদনগুলি সঠিক নয়।
এদিকে মেঘনার বাবার দাবি, মেঘনাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন ওই সৌদি কূটনীতিক৷ কিন্তু ওই কূটনীতিক আগে থেকেই বিবাহিত, বাড়িতে সন্তানও আছে জানতে পেরে মেঘনা তাঁর বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ওই কূটনীতিকের স্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ করে মেঘনা তাঁদের সম্পর্কের বিষয়ে সব জানিয়ে দিয়েছেন। সমাজমাধ্যমেও নিজেদের সম্পর্কের কথা জানান। মেঘনার বাবার অভিযোগ, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করে এখন তাঁর মেয়েকে হেনস্থা করার চেষ্টা করছেন ওই কূটনীতিক।












Click it and Unblock the Notifications