আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর মুখ খুললেন হাসিনা, কী বললেন? জানুন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে। মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি এই রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট এবং রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন।

৭৮ বছর বয়সী হাসিনা বলেন, তিনি অভিযোগগুলি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেন এবং জোর দিয়ে বলেন যে বিচারটি পূর্বনির্ধারিত। তিনি বলেন, " আদালতে নিজেকে রক্ষা করার জন্য কোন ন্যায্য সুযোগ ছিল না। এমনকি ওখানে আমার পছন্দের আইনজীবীদেরও আমার প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ ছিল না।"
মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রত্যাখ্যান করে শেখ হাসিনা বলেন, " বিশ্বের কোনও প্রকৃত সম্মানিত বা পেশাদার আইনবিদ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে সমর্থন করবেন না। আইসিটি-এর দেওয়া এই রায় অন্তর্বর্তিকালীন সরকারে থাকা চরমপন্থী ব্যক্তিদের নির্লজ্জতা এবং খুনি মনোভাবের প্রতিফলন। বাংলাদেশের শেষ নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে অপসারণ করার জন্য এবং আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক ভাবে ভেঙে দেওয়ার জন্যেই এই কাজ করা হয়েছে।''
হাসিনা অভিযোগ করেন যে, " ইউনূসের বাহিনী সারা দেশে প্রতিশোধমূলক আক্রমণ পরিচালনা করেছে। আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মীদের শত শত বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সম্পত্তি ধ্বংস করেছে।"
মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের বক্তব্যের জবাবে হাসিনা বলেন যে, " জুলাই-আগস্টের অস্থিরতা আমাদের দেশের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল।" তবে, তিনি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে যে অভিযোগ উঠেছিল তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বিক্ষোভকারীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়া এবং ব্যাপক নৃশংসতা রোধে ব্যর্থতার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এবং চৌধুরী আবদুল্লাহকে ৫ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications