ইরানের গ্যাস ঘাঁটিতে হামলা! 'আমাদের কিছুই জানানো হয়নি', ইজরায়েলকে ঘিরে দাবি ট্রাম্পের, আর কী বললেন তিনি?
ইরানের অন্যতম এক বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র সাউথ পার্স এ হামলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ক্রমশ উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। এই হামলার জন্য ইরান প্রথমে আমেরিকা এবং ইজরায়েলকে যৌথভাবে দায়ী করেছিল। কিছু ইরানের সেই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি যে, এই অভিযানের বিষয়ে আমেরিকা এবং ইজরায়েল আগে থেকে কিছুই জানত না, তাদের না জানিয়েই ওই হামলা চালিয়েছে।

পারস্য উপসাগরের কাছে অবস্থিত ওই গ্যাসক্ষেত্রটি বিশ্বের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ঘাঁটি। হামলা হওয়ার পর পরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় ইরান এবং তাড়াতাড়ি পাল্টা আঘাতও হানে। জানা গিয়েছে যে, তারা কাতারের একটি বৃহৎ এলএনজি প্রকল্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। আর সেই হামলার ফলে সেখানে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেনা ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে তিনি জানান যে, এই হামলাটির বিষয়ে আমেরিকর কোনও আগাম ধারণা ছিল না। সেইসঙ্গে তিনি এও বলেন যে, এই ঘটনায় কাতারও জড়িত ছিল না এবং সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে তাদের কাছেও কোনওরকম কোনও তথ্য ছিল না। ট্রাম্পের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় তৈরি হওয়া উত্তেজনার আবহের কারণেই ইজরায়েল ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে আঘাত হেনেছে। যদিও তিনি দাবি করেছেন যে, হামলার কারণে ওই বিশাল গ্যাস প্রকল্পের সামান্য অংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে পরিস্থিতি আরও জটিল না করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, যদি কাতারের উপর আর কোনওরকম হামলা না হয়, তবে ইজরায়েলও আর সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে আর আঘাত করবে না। কিন্তু ইরান যদি আবার কাতারকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় তাহলে আমেরিকা কড়া পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন যে, তিনি আর কোনও বড় ধরনের ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি চান না। তাঁর মতে, সংঘাত জড়িয়ে আরও বাড়ে তাহলে তা ইরানের ভবিষ্যতের উপর এক দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই উত্তেজনা কমানোর পথেই তিনি এগোতে চান, যদিও প্রয়োজন পড়লে কঠোর পদক্ষেপের কথাও উড়িয়ে দেননি।












Click it and Unblock the Notifications