Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

প্রতি সেকেন্ডে গ্রাস করতে পারে একটি পৃথিবী, দানব কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান বিজ্ঞানীদের

প্রতি সেকেন্ডে গ্রাস করতে পারে একটি পৃথিবী, দানব কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান বিজ্ঞানীদের

ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের আলাদা একটি উৎসাহ রয়েছে। বহু বছর ধরে বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণ গহ্বর নিয়ে গবেষণায় মজে রয়েছেন। সেই গবেষণায় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা যুগান্তকারী আবিষ্কার সামনে এনেছেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মহাকাশ গবেষণায় একটি কৃষ্ণগহ্বরের হদিশ পেয়েছেন। দ্রুত এই কৃষ্ণগহ্বরটি বাড়ছে। এত দ্রুত বাড়তে থাকা কৃষমগহ্বরের সন্ধান আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পাননি। প্রতি সেকেন্ডে এই কৃষ্ণগহ্বরের গ্রাসের ক্ষমতা একটি পৃথিবীর সমান।

প্রতি সেকেন্ডে গ্রাস করতে পারে একটি পৃথিবী, দানব কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান বিজ্ঞানীদের

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই আবিষ্কারে উচ্ছ্বসিত। তাঁরা জানিয়েছেন, অনেক বছর ধরে এই ধরনের কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান করছিলেন। মহাকাশ চর্চা থেকে অনেক কিছু উঠে এসেছে। ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে এসেছে। কিন্তু এত বড় একটা কৃষ্ণগহ্বর সামনে ছিল।

কিন্তু এতদিন কোনও জ্যোতির্বিজ্ঞানীর কীভাবে চোখে পড়ল না, সেই নিয়েও তাঁরা আশ্চর্য প্রকাশ করেছেন। বিষয়টিকে খড়ের গাদায় সূঁচ খোঁজা সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, 'আশ্চর্যজনকভাবে খড়ের গাদায় একটা বড় সূচ আমরা পেয়েছি। যা সহজেই মানুষের চোখে পড়ে।' বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, 'এই কৃষ্ণগহ্বরটি আমাদের ছায়াপথের সমস্ত আলোর থেকে প্রায় সাত হাজার গুন বেশি উজ্জ্বল।'

অস্ট্রেলিয়ার জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই গবেষণা সম্প্রতি আরজিভ নামের পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটিতে এই গবেষণার তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানেই বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রায় ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে এই ধরনের কোনও বস্তুর সন্ধান করা হচ্ছিল। এর থেকে অনেক ম্লান বস্তু তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন।

কিন্তু অদ্ভুতভাবে এই জিনিসটি এত উজ্জ্বল হওয়ার পরেও বিজ্ঞানীদের চোখে পড়েনি। এই প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান গবেষক ক্রিস্টোফার অঙ্কেন জানান, তাঁরা বৃহৎ আকৃতির কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান পেয়েছেন। কিন্তু এই কৃষ্ণগহ্বরের কেন এতটা আলাদা, এতটা শক্তিশালী, এই বিষয়ে তাঁরা গবেষণা শুরু করবেন।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, কৃষ্ণগহ্বরের আকৃতি এতটা বড় হওয়ার পিছনে দুটো কারণ থাকতে পারে। এক- দুটো গ্যালাক্সি বা সৌরমণ্ডলের পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিল। যার জেরে কৃষ্ণ গহ্বরের খাওয়ার জন্য প্রচুর উপাদান এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়ে। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, উচ্চমাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে কোনও নক্ষত্রের মৃত্যু থেকে কোনও কৃষ্ণগহ্বরের সৃষ্টি হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই ব্ল্যাকহোলটির চাক্ষুষ মাত্রা ১৪.৫। অর্থাৎ পৃথিবীর কোনও এক কোনে বাড়ির উঠোন থেকে একটি টেলিস্কোপের সাহায্যে খুব সহজেই এই ব্ল্যাকহোলটিকে দেখতে পাওয়া যাবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্যামুয়েল লাই জানিয়েছেন, এটি আমাদের নিজস্ব গ্যালাক্সির কৃষ্ণ গহ্বর থেকে প্রায় ৫০০ গুন বড়। আমাদের সৌর মণ্ডলের প্রতিটি গ্রহ অনায়াসে ব্ল্যাকহোলে প্রবেশ করে যাবে। এই কৃষ্ণ গহ্বর থেকে কেউ বাঁচতে পারবে না।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+