Bangladesh: বাংলাদেশ 'দখল' করে জলকেলি উৎসব আরকান আর্মির! উড়ছে পতাকা, দাঁড়িয়ে আখ খাচ্ছে BGB
Bangladesh : বাংলাদেশে ঢুকে 'জলকেলি উৎসবে' মাতল আরকান আর্মির সদস্যরা। মায়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই চালাচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী এই সংগঠন। আর এর মধ্যেই এই বাহিনীর সদস্যদের বান্দরবানের থানচির রেমাক্রি ইউনিয়নের ঝিরিমুখ এলাকায় ঢুকতে দেখা গেল। ইতিমধ্যে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। আর তা সামনে আসতেই প্রশ্নের মুখে 'নতুন বাংলাদেশে'র নিরাপত্তা। এমনকী বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবির ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে।
সে দেশের (Bangladesh) সংবাদমাধ্যম 'বাংলা ট্রিবিউনে'র খবর অনুযায়ী, ওই জলকেলি উৎসবে সব কিছু দেখেও বিজিবি সদস্যদেরও নির্বিকার থাকতে দেখা গিয়েছে। যা আরও বিতর্ক বাড়িয়েছে। সে দেশের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত সপ্তাহে পাহাড়িদের নিয়ে আরাকান আর্মির সদস্যরা এ জলকেলি উৎসবে অংশ নেন। স্থানীয়রা জানান, বান্দরবান সীমান্তের ১০ কিলোমিটার ভেতরে আরাকান আর্মির সদস্যরা অনুপ্রবেশ করে। শুধু তাই নয়, উৎসব শেষে আরাকান আর্মির সদস্যরাই সেই ছবি-ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে।

আর এরপরেই তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। সে দেশের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মায়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও তাদের রাজনৈতিক শাখা ইউনাইটেড লীগ অফ আরাকান বিপুল অর্থ ঢালে ওই অনুষ্ঠান করার জন্য। ভাইরাল ছবি ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, উৎসবে আরাকান আর্মির সদস্যরা ইউনিফর্ম পড়ে ওই উৎসবে দেখা যায়। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিও'র সত্যতা যাচাই করে দেখেনি ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা।
জানা যায়, অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি মারমা ও অন্য স্থানীয় পাহাড়ি সম্প্রদায় ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও অংশ নেন। এমনকী ওই অনুষ্ঠানে বিজিবির সদস্যদেরও দেখা যায়।
এমনকী উড়তে দেখা যায় রাখাইনের ইউএলএ ও আরাকান আর্মির পতাকাও। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বাংলাদেশের ভুখন্ডে উৎসব করে পতাকা ওড়ানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বাংলাদেশ সেনা। একেবারে বিজিবি সদস্যদেরও নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় দেখা গিয়েছে।

যদিও বিজিবি'র একাংশের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার জন্যই সেখানে বিজিবি সদস্যরা ছিলেন। অন্যদিকে বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আরাকানরা বান্দরবানের থানচিতে বৈসাবি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে এমন একটি তথ্য আমরা জানতে পেরেছি। গোয়েন্দারা কাজ করছে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে খুব শীঘ্রই। এমনকী সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা আরও বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications