Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Sri Lanka's President: শ্রীলঙ্কায় বাম নেতার বিরাট জয়! রাষ্ট্রপতি হলেন অনুরা দিসানায়েকে

Sri Lanka's President: ভোট গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন। সেই মার্ক্সবাদী নেতা অনুরা কুমার দিসানায়েকেই হলেন শ্রীলঙ্কার নতুন রাষ্ট্রপতি। কালই তিনি শপথ নেবেন।

বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রানিল বিক্রমাসিংহে এই নির্বাচনে লড়েছিলেন। তিনি শেষ করলেন তৃতীয় স্থানে। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করলেন সাজিথ প্রেমদাসা। অর্থনৈতিক সংকটের পর যে গণ অভ্যুত্থান শ্রীলঙ্কায় হয়েছিল, তারপর এই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হলো দ্বীপরাষ্ট্রে।

Sri Lanka s President

কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বছর ৫৫-র দিসানায়েকে ৪২.৩১ শতাংশ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। ২০১৯ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তুলনায় এবার কম ভোট পড়েছিল। যদিও নির্বাচন প্রক্রিয়া হয়েছে নির্বিঘ্নে। কোথাও কোনও হিংসা বা অশান্তির খবর মেলেনি।

জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাজিথ প্রেমদাসা পেয়েছেন ৩২.৭৬ শতাংশ ভোট। রানিল বিক্রমাসিংহে পেয়েছেন মাত্র ১৭.২৭ শতাংশ ভোট। শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি সাবরি বলেছেন, আমি রাষ্ট্রপতি বিক্রমাসিংহের জন্য জোরালো প্রচার করেছিলাম। কিন্তু শ্রীলঙ্কার মানুষ যে রায় দিয়েছেন তা মেনে নিচ্ছিষ। দিসানায়েকের প্রতিই তাঁরা সমর্থন জানিয়েছেন।

শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে বিগত ২ বছর শ্রীলঙ্কার মানুষকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল তাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সিংহভাগ প্রচার জুড়েই ছিল অর্থনীতির বিষয়। আইএফএফ ডিল এখনই বাতিলের পথে না হাঁটলেও দিসানায়েকে তাতে পরিবর্তন আনবেন বলে পার্টির পলিটব্যুরোর এক নেতা দাবি করেছেন।

জানা যাচ্ছে, দিসানায়েকে আয়কর কমানোর পাশাপাশি খাদ্য ও ওষুধের ক্ষেত্রে সেলস ট্যাক্স কমাবেন। বিক্রমাসিংহের জমানায় আয়কর দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। দিসানায়েকে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার এবং জনতা বিমুক্তি পেরামুনার নেতা। সামাজিক ন্যায়বিচার ও দুর্নীতি দমনের পক্ষে বছরের পর বছর ধরে সরব জেভিপি। সেই দল থেকেই উত্থান দিসানায়েকের।

নব্বইয়ের দশকে বাম ছাত্র রাজনীতি থেকেই উত্থান দিসানায়েকের। থামবুটেগামার শ্রমজীবী পরিবারের ছেলে তিনি। জেভিপির পলিটব্যুরোয় ঢোকেন ১৯৯৮ সালে। ২০০০ সালে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন যে সরকার ছিল তার তার ক্যাবিনেট মিনিস্টার ছিলেন দিসানায়েকে। ২০১৯ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়লেও মাত্র ৩ শতাংশ ভোট পান।

দিসানায়েকের এনপিপি দুর্নীতি আর অপশাসন রোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক পরিকাঠামোর পরিবর্তনকামীরা তাই ঢেলে ভোট দিয়েছেন দিসানায়েকেকে। রাজনীতিবিদদের বিশ্বাসযোগ্যতার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে তাঁর ভাষণে। আগেকার নেতাদের তা না থাকাতেই দেশকে অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে হয়েছিল বলে দাবি দিসানায়েকের।

শ্রীলঙ্কার শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য বিভাগে সংস্কার, আবাসের বন্দোবস্তের মতো বিষয়গুলি গুরুত্ব পেয়েছে এনপিপির নির্বাচনী ইস্তেহারে। প্রাক নির্বাচনী সমীক্ষা মিলে গেল। তবে দিসানায়েকে যেখানে ৩৬ শতাংশ ভোট পাবেন বলে মনে করা হয়েছিল, তা অনেকটাই বেড়েছে।

দিসানায়েকে এক্স হ্যান্ডলে বার্তায় লিখেছেন, আমাদের কয়েক শতাব্দী ধরে দেখা স্বপ্নের বাস্তবায়ন হতে চলেছে। এই ফল কোনও একজনের কাজের জন্য নয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। এই জয় আমাদের সকলের। আমাদের যাত্রাপথ প্রশস্ত হয়েছে বহু মানুষের আত্মত্যাগের ফলে। যাঁরা ঘাম ঝরিয়েছেন, চোখের জল ফেলেছেন, এমনকী জীবনও দিয়েছেন। তাঁগের সেই আত্মত্যাগ ভুললে চলবে না।

জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে শ্রীলঙ্কার ইতিহাস নতুন করে রচনার অঙ্গীকার করেছেন দিসানায়েকে। সিংহলী, তামিল, মুসলিম-সহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে নবজাগরণের প্রত্যয় স্পষ্ট নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির পোস্টে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+