কঠোর মন্তব্যের পর হঠাৎ সুর বদল, কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টকে প্রশংসা করলেন ট্রাম্প,দিলেন আলোচনার আমন্ত্রণ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কলম্বিয়ার নেতা গুস্তাভো পেট্রোর সম্পর্ক গত কয়েক সপ্তাহে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত চেহারা দেখিয়েছে। সপ্তাহ জুড়ে রীতিমতো কড়া মন্তব্য, তীব্র সমালোচনা ও নিরাপত্তা হুমকির প্রেক্ষাপট থেকে হঠাৎই সম্পর্কের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে গেছে যা কূটনৈতিক মহলে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুরুর দিকে ট্রাম্প কয়েকবারই পেট্রোকে টার্গেট করে বলেন, তিনি কলম্বিয়ার নেতার কাছ থেকে "মাদক তৈরির" অভিযোগ করেছেন ও এমন কোন নেতৃত্ব তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাখতে চান না। এর পরিণাম হিসেবে তিনি কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও সহায়তা কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন ও উন্নাউঁচ্ছে সামরিক হুমকির কথাও বলেন।

কিন্তু গতকাল এমন এক মোড় আসে, যা কানে বিশ্বাস করাই কঠিন। ট্রাম্প এক জনসাধারণ ফোন কথোপকথনের পর পেট্রোকে সামনে রেখে এমন টোন নেন যা আগে কেউ ভাবতেও পারত না। তিনি টুইট করেন, ''আমি গুস্তাভো পেট্রোকে ফোনে বলার জন্য ধন্যবাদ জানাই, তিনি আমাদের মতানৈক্য নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন ও তাঁর কথা শোনার অভিজ্ঞতা খুবই ইতিবাচক ছিল।''
এবার ট্রাম্প আরও এগিয়ে গিয়ে হোয়াইট হাউসে পেট্রোকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, যেখানে তারা সরাসরি বসে মাদক, নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জটিল ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানানো হয়েছে। এই বৈঠকটিকে ওয়াশিংটনের অনেকে কূটনৈতিক 'রিসেট' হিসেবে দেখছেন।
বিশ্লেষকদের মতে এর পেছনে কিছু কারণ থাকতে পারে, সামান্য আগেও ট্রাম্পের মন্তব্য ও হুমকির কারণে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল।
আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের চাপ ও সম্পর্ক মাত্রার অবনতি রোধ করা।অর্থনীতি, যৌথ নিরাপত্তা ও নাশকতার বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা।
এমন বিরল পরিস্থিতি বিশ্ব রাজনীতির দিকপাল্টানো কূটনীতির একজোড়া নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, আগে কর্দমাক্ত আক্রমণ, এখন বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ।












Click it and Unblock the Notifications