India-China: মুখ শুকিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের! ভারতের পাশে চিনও, ডোভালের সঙ্গে বৈঠকে ছয় বড় সিদ্ধান্ত
India-China: ভারত এবং চিন, এই দুই দেশের শান্তি স্থাপনে এক বড় পদক্ষেপ। পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথমবার মুখোমুখি বসে কথা বললেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval) এবং চীনের বিদেশ মন্ত্রী ওইয়াং ই (Chinese Foreign Minister Wang Yi) । গত একুশে অক্টোবর সীমান্তের বিতর্কিত জায়গাগুলি থেকে ভারত এবং চিন উভয়পক্ষই সেনাবাহিনীকে সরিয়ে আনার বিষয়ে একমত হয়।
সেই বিষয়েও ফের একবার চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা কথা বললেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। জানা গিয়েছে, সীমান্তের দুই ক্ষেত্রেই যাতে শান্তি বজায় থাকে, সীমান্ত ইস্যুতে বারবার যাতে দুই দেশের উন্নয়নমূলক কাজে ভারত চিনের সম্পর্ক বাধা না পায় সেই বিষয়েও দুজনের (India-China) মধ্যে কথা হয়েছে।

সূত্রের খবর, এক্ষেত্রে কমিউনিস্ট চিন একটি স্টেপ বাই টেপ পন্থায় কাজ করতে রাজি হয়েছে। অর্থাৎ প্রথমে সহজ বিষয়গুলি সমাধান করা হবে, পরে অপেক্ষাকৃত কঠিন বিষয়গুলি আছে তা আলোচনা করে ভারত এবং চিন সমাধান করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে চিনের কূটনীতিক জু ফেহং জানিয়েছেন, ছয়টি বিষয়ে দুই দেশ অর্থাৎ ভারত এবং চিন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে কৈলাশ মানস সরকারের তীর্থযাত্রা শুরু থেকে নাথুলা পাস দিয়ে বাণিজ্যের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। বৈঠক শেষে চিনের বিদেশমন্ত্রী এই প্রসঙ্গে আরও জানিয়েছেন, এই কথোপকথন এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। গত অক্টোবরে চিনের প্রেসিডেন্টের জি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর যে কথোপকথন হয়েছিল সেই পথেই আরও এক ধাপ এগুলো দুই দেশ।
ভারত এবং চিনের সম্পর্কে রাজনৈতিক গুরুত্বের বিষয়েও আলোচনা করেন ডোভাল এবং ওইয়াং ই। এই প্রসঙ্গে ভারত সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, দু'দেশ সীমান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য যৌথ ভাবে কাজ করবে এবং কীভাবে এই কাজ করা সম্ভব তা নিয়ে একটি 'ফ্রেম-ওয়ার্ক' তৈরির কথাও বলেছে ভারত সরকার। আন্তজাতিক শান্তির স্বার্থে ভারত এবং চিন সুসম্পর্কের কথা বলেছে বলেও জানা গিয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষবার এসআর এনগেজমেন্ট বৈঠক হয়।
শুধু তাই নয়, ২০২০ সালে লাদাখ সীমান্তে সংঘাতের পর উচ্চপর্যায়ের কোনও সরকারি আধিকারিক বেজিং সফর করলেন। বলে রাখা প্রয়োজন, ২০২০ সালের পর ঘটনার পুনঃরাবৃত্তি যাতে আর না হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ করার কথাও ওই বৈঠকে আলোচনা হয়। এই ক্ষেত্রে প্রজিনিয় কুটনৈতিক পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকের পর অজিত ডোভাল চিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং'কে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আরও একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথাও জানানো হয়েছে।
India-China: কোনও ছয়টি বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত
পূর্ব লাদাখে শান্তি বজায় রাখতে চেষ্টা করবে ভারত এবং চিন। সীমান্তে সমস্যা সমধানে যৌথ ভাবে দু'দেশ কাজ করবে। একই সঙ্গে বিশ্বাস-আস্থা যাতে অটুট থাকে সে বিষয়ে এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কৈলাশ মানস সরবোর যাত্রা আবার শুরু হবে বলে জানা যাচ্ছে। ভারত এবং চিনের মধ্যে কুটনৈতিক এবং সামরিক স্তরে আলোচনা জারি থাকবে। এবং আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে ফের একবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। আর তা হবে ভারতে।
বলে রাখা প্রয়োজন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বর্তমানে সে দেশের উপদেষ্টা পদে আছেন ইউনূস। নয়া এই অন্তবরতীঊ সরকার ভারতের থেকে বেশি চিন এবং পাকিস্তানের উপর নির্ভর করছে। এই অবস্থায় ভারতের সঙ্গে চিনের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠক প্রতিবেশী ঢাকার আশঙ্কা বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications