টাটকা স্মৃতি, চারপাশ জুড়ে ছড়ানো ধ্বংসস্তূপ! এর মধ্যেই ফের কেঁপে উঠল তুরস্ক
সরে গিয়েছে মাটির নীচে থাকা প্লেট! কিছুতে স্বাভাবিক হচ্ছে না। আর এই অবস্থায় মাঝে মধ্যেই কেঁপে উঠছে গোটা দেশ। ১০ হাজারেরও বেশি আফটার শক। এই অবস্থায় আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে
আতঙ্ক এখনও টাটকা! চারপাশ জুড়ে এখনও পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে ধ্বংসস্তুপ! এই অবস্থায় নতুন করে ফের কম্পন অনুভূত তুরস্কে। আজ সোমবার সে দেশের দক্ষিণ এলাকাতে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা 5.6 বলে জানা যাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, স্থানীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানাচ্ছে, সোমবারের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মালতয়া প্রদেশের ইয়েসিল্টার শহরে। নতুন করে কম্পনকে কেন্দ্র করে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

শতাধিক মানুষ আতঙ্ক
ইয়েসিলার্টের মেয়র মেহমেত সিনার হ্যাবার্টর্ক স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, নতুন করে কম্পনে একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়েছে ফের। একদিকে যখন ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছে সে দেশ। সেই সময়ে নতুন করে কম্পনে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, ঘটনায় অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দ্রুত আহতদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

পাঁচ থেকে ছয় মাত্রার অন্তত ৪৫ টি আফটার শক
স্থানীয় আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, গত তিন সপ্তাহে অন্তত তিনটি বড়সড় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে তুরস্ক। যার প্রভাব পড়েছে সিরিয়াতেও। শুধু তাই নয়, পাঁচ থেকে ছয় মাত্রার অন্তত ৪৫ টি আফটার শক সে রাজ্যে আছড়ে পড়ে বলেও জানাচ্ছেন আধিকারিকরা। এই অবস্থায় আশঙ্কা আরও বাড়ছে। পরিস্থিতি যা তাতে আগামকিদিনে আরও বেশ কয়েকটি ভূমিকম্পের সাক্ষী থাকতে পারে সে দেশের মানুষ। এই অবস্থায় মানুষকে সাবধানে থাকার বার্তা দিচ্ছেন সে দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর আধিকারিকরা। তুরস্কের দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা এএফএডি জানিয়েছে যে ৬ জানুয়ারির শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর থেকে এ অঞ্চলে প্রায় ১০,০০০টি আফটারশক হয়েছে।

আতঙ্কের প্রহর গুণছে মানুষ
বলে রাখা প্রয়োজন, গত তিন সপ্তাহ আগেই ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তুরস্ক। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল 7.8 । এই কম্পনে ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়েছিল সিরিয়াতেও। আর তাতে এখনও পর্যন্ত দুই দেশ মিলিয়ে ৪৮ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় আহত কয়েক হাজার। এখনও প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে কম্পনের মৃতের সংখ্যা। এখনও দুই দেশে বহু মানুষ ঘর ছাড়া। কারোর রাত কাটছে হাসপাতালের বিছানাতে তো আবার কারোর দিন কাটছে ক্যাম্পে। রীতিমত আতঙ্ক মানুগুলির চোখেমুখে। এই অবস্থায় নতুন করে কম্পন আতঙ্ক বাড়িয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications