উত্তর প্রদেশে মৎস্যজীবী-মাঝিদের উপহার যোগী সরকারের! নৌকা কেনার ওপরে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির ঘোষণা
উত্তর প্রদেশে সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে যোগী সরকার। একদিকে মাফিয়া রাজ খতম এবং অন্যদিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন। সাম্প্রতিক সময়ে যোগী সরকার রাজ্যের মৎস্যজীবী এবং নৌকার মাঝি সম্প্রদায়ের জন্য বড় ঘোষণা করেছে। তাঁদেরকে নৌকা কিনতে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হবে।
উত্তর প্রদেশ সরকার এর জন্য নিষাদরাজ নৌকা ভর্তুকি প্রকল্পের ব্যবস্থা করেছে। এক্ষেত্রে দরিদ্র মৎস্যজীবী থেকে মাঝিদের স্বাবলম্বী করে তুলতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

ওই প্রকল্পের সুবিধা নিতে গেলে মৎস্যজীবী এবং মাঝি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষজনকে অনলাইন কিংবা অফলাইনে আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে যাঁরা নদী ও জলাশয়ের ওপরে নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করেন, তাঁদেরকে সুবিধা দেওয়া হবে।
মাল্লা সম্প্রদায়ের ১২ টি জাতিকে শুধু নৌকা কেনার জন্য সরকারি সাহায্য দেওয়া হবে। আবেদনকারীদের অনলাইন আবেদনের অফলাইন রেকর্ডের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কাগজপত্র রাজীব ভবনে জমা দিতে হবে। একই সময়ে অফলাইনেও আবেদন করা যাবে। সরকারের আশা এক্ষেত্রে অবৈধ কোনও পদক্ষেপ নিরয়্ন্ত্র করা যাবে।
যাঁদের ০.৪০ হেক্টর কিংবা তার থেকে বড় পুকুর কিংবা জলাশয় রয়েছে কিংবা তার ইজারা নিয়েছেন, সেক্ষেত্রে মৎস্যজীবীরা এবং মাছ চাষের সঙ্গে যুক্ত পুকুরের মালিকরাও এই প্রকল্পে সুবিধা পাবেন। মৎস্যজীবী ছাড়াও যাঁদের নৌকা রয়েছে কিংবা নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন, তাঁদেরও সাহায্য দেওয়া হবে এই প্রকল্পে।

যোগ্যরা ইঞ্জিন ছাড়া নৌকা কিনতে পারবেন। এছাড়া ফাইবার কিংবা প্লাস্টিকের নৌকা, নেট, লাইফ জ্যাকেট, আইস বক্সেও সুবিধা পাওয়া যাবে এই প্রকল্পের অধীনে। মৎস্যজীবী ছাড়াও মাঝিরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবেন।
এই প্রকল্পে নৌকার জন্য ৬৭ হাজার টাকা কিংবা মোট খরচের ওপরে ৪০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হবে। ২৬৮০০ টাকা অর্থাৎ ৪০ শতাংশ ভর্তুকি এবং ৪০২০০ টাকা অর্থাৎ বাকি ৬০ শতাংশ সুবিধাভোগীকে জোগার করতে হবে।
মৎস্য দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার নিষাদরাজ বোট ভর্তুকি প্রকল্পের অধীনে নৌকা চালাতে এবং মাছ ধরার জন্য মৎস্যজীবীদের ৪০ শতাংশ টাকা ভর্তুকি হিসেবে দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছে। মথুরার প্রায় দুশোর বেশি মানুষ এই সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন ওই সরকারি আধিকারিক।
উত্তর প্রদেশ সরকার এর আগে রাজ্যের অর্থনীতির উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছে। পরিকাঠামোর উন্নয়নে নজর দিয়েছে। রাজ্যের একের পর এক এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি হয়েছে কিংবা হচ্ছে। স্কুলের প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিকে ১০০ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications