সীমান্ত সুরক্ষায় বড়সড় পদক্ষেপ! যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বন্ধ ১৭টি মাদ্রাসা
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে একটি বড় অভিযান। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ সরকার নেপাল সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অবৈধ জবরদখলের বিরুদ্ধে একটি অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ১০-১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় থাকা শত শত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলা হয়েছে।
দখল উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে, অননুমোদিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র বাহরাইচ জেলাতেই ৮৯টি অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, শ্রাবস্তীতে কর্তৃপক্ষ ১৭টি অবৈধ মাদ্রাসা সহ মোট ১১৯টি দখল করা স্থান মুক্ত করেছে।

একইভাবে, সিদ্ধার্থনগর জেলায় ১১টি অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেখানে মহারাজগঞ্জে এই ধরনের ১৯টি স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। বলরামপুরে সরকারি জমিতে অবৈধ দখলের ৭টি ঘটনা ধরা পড়েছে, যার মধ্যে দুটি দখল স্বেচ্ছায় সরানো হয়েছে এবং বাকিগুলির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হল সংবেদনশীল সীমান্ত অঞ্চলগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি জমির সঠিক ব্যবহার বজায় রাখা।
উত্তর প্রদেশের শ্রাবস্তীতে স্বীকৃতির জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা না দেওয়ায় ৭টি মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, ভিঙ্গা তহসিলে তিনটি এবং যমুনাহা তহসিলে চারটি মাদ্রাসা তাদের স্বীকৃতির স্বপক্ষে কোনও বৈধ কাগজপত্র দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জেলা সংখ্যালঘু কল্যাণ কর্মকর্তা দেবেন্দ্র রাম পিটিআই-কে জানিয়েছেন, "এই মাদ্রাসাগুলির বেশিরভাগই গোপনে চলছিল। কিছু অবৈধভাবে ভাড়া করা বাড়ি বা বাড়িতে পরিচালিত হচ্ছিল, আবার কিছু আধা-নির্মিত ভবনে চলছিল।"
উল্লেখ্য, সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযানকে সীমান্ত এলাকাগুলির সুরক্ষা এবং সরকারি জমির সঠিক ব্যবহারের লক্ষ্যে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। অন্যান্য সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতেও এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে, যেখানে বহু অবৈধ নির্মাণ ও জবরদখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications