প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছবে বিশুদ্ধ পানীয় জল! পুরভোটের প্রচারে মির্জাপুরে আশ্বাস যোগী আদিত্যনাথের
মির্জাপুরে একইসঙ্গে বিধানসভার উপনির্বাচন এবং পুরনির্বাচনের প্রচার। সেখানে বিজেপি-আপনা দল এবং নিষাদ পার্টির সমর্থনে করা সভায় প্রধান বক্তা মুখ্যমন্ত্রী যোদী আদিত্যনাথ। বাপু উপরাধ ইন্টারমিডিয়েট কলেজে করা সভা মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বিশুদ্ধ পানীয় জলের।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, মির্জাপুর এলাকায় খাওয়ার জলের সংকট সব থেকে বেশি। আগে গ্রীষ্মে ট্যাঙ্কারে জল আসত। সাধারণ মানুষ অনেক দূরের পুকুর থেকে পর্যন্ত জল আনতে বাধ্য হতেন। দূষিত জল খেয়ে তাঁদের নানা ধরনের রোগ হওয়ার কথাও স্বীকার করে নেন যোগী আদিত্যনাথ। তবে এখন পরিস্থিতির পরিবর্তনের দাবি তিনি করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, জল জীবন মিশনের অধীনে প্রতিটি বাড়িতে কলেজ জল প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এখন আর কোনও বোন বা মেয়েকে মাথায় করে দুই, তিন, চার কিমি দূর থেকে জল আনতে হয় না বলেও .দাবি করেছেন তিনি। এরপর ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, মির্জাপুর উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় পৌঁছতে যাচ্ছে। তিনি বলেছেন, বিন্ধ্য করিডরের পাশাপাশি বিন্ধ্য বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কাজ চলছে। বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার তরুণদের নতুন পরিচয় দেবে বলেও দাবি করেন তিনি। সার্টিফিকেটের ওপরে মা বিন্ধ্যবাসিনীর ছবি থাকবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বিরোধীদের নিশানা করেন। তিনি অভিযোগ করেছেন পরিবারবাদীরা যুবকদের হাতে পিস্তল ধরিয়ে দিয়ে সমাজ ও জাতিকে পিছনের দিকে টেনে নিয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, এখন যুবকদের হাতে কেউ পিস্তল ধরাতে পারবে না। কারণ তাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ট্যাবলেট।
প্রচারে যোগী আদিত্যনাথ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সারা দেশে কেন্দ্রীয় সরকারের দরিদ্র কল্যাণ প্রকল্পে ৪ কোটি গরিবের জন্য ঘর, ১২ কোটি গরিবের জন্য টয়লেট, আটকোটি গরিবের জন্য এলপিজি সংযোগ এবং চারকোটি মানুষকে বিনামূল্।ে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন ৩৩ কোটি জনধন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। ৫০ কোটি মানুষকে পাঁচ লক্ষ টাকার বিমার কভার দেওয়া হয়েছে। করোনা মহামারীর সময় অনাহার রোধ করতে ৮০ কোটি মানুষকে একটানা তিনবছর ধরে রেশনের সুবিধা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের মানুষকে বিনামূল্যে করোনার টিকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, কাশী বিশ্বনাথ ধাম উত্তর প্রদেশের গর্ব। অন্যদিকে অযোধ্যায় মন্দির তৈরির কাজ চলেছে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, শীঘ্রই মির্জাপুরকে জলপথের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। বিন্ধ্যাচলের কাছে তৈরি করা হবে জেটি।
তিনি বলেছেন, যখন উত্তর প্রদেশে বদলে যাচ্ছে, তখন মির্জাপুর কেন পিছিয়ে থাকবে। কৃষকদের শাক-সবজি, শস্য শুধু দেশের বাজারেই নয়, বিদেশের বাজারেও পৌঁছে যাবে। কৃষকরাও ভাল দাম পাবেন।












Click it and Unblock the Notifications