বছর শেষে অধরাই থেকে যাবে সকলের টিকাকরণ? লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ৩ গুণ পর্যন্ত বাড়াতে হবে গতি
বছর শেষে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ৩ গুণ পর্যন্ত বাড়াতে হবে টিকাকরণের গতি
দ্বিতীয় ঢেউয়ের সম্পূর্ণ পারাপতনের আগেই তৃতীয় ঢেউয়ের ভয় জাঁকিয়ে বসেছে গোটা দেশজুড়েই। অন্যদিকে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনার নয়া ডেল্টা প্লাস স্ট্রেন। কেন্দ্রের তরফে একাধিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হলেও তা কতটা কার্যকরী করা সম্ভব হচ্ছে তা নিয়ে দানা বাঁধছে উদ্বেগ। এদিকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সমস্ত প্রাপ্তবয়ষ্ককে টিকাকরণের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার।

কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা নির্দিষ্ট করা গেলেও টিকাকরণের গতি নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের দাবি বর্তমানে গোটা দেশে যে হারে টিকাকরণ চলছে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের প্রায় ৯৫ কোটি প্রাপ্তবয়ষ্ককেই টিকাকরণের আওতায় নিয়ে আসতে গেলে তার গতি আরও তিন গুণ পর্যন্ত বাড়াতে হবে। সম্প্রতি একটি পরিসংখ্যান সামনে এনে এমনটাই দাবি করেছে বাজার গবেষণা সংস্থা ক্রিসিল।
এদিকে আশার কথা এই যে বর্তমানে দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজারের নীচে নেমে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা এটাই সর্বোচ্চ সময় দ্রুত গতিতে টিকাকরণ চালিয়ে আগামীর লড়াইয়ের জন্য আগাম প্রস্তুতি সেরে রাখা। কিন্তু বর্তমানে দেশের টিকাকরণ চিত্র বলছে এই মূহূর্তে দেশে করোনা টিকার দুটি ডোজ পেয়েছেন ৪.১ শতাংশ মানুষ। আর একটি ডোজ পেয়েছেন ১৯ শতাংশ মানুষ।
এদিকে গতকালই ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে যায়। কিন্তু এপ্রিল থেকে মে মাসে টিকাকরণের গতিতে বারংবার ওঠা নামাতেই বাড়ছে উদ্বেগ। পরিসংখ্যান বলছে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে দেশে দৈনিক ৩৪ লক্ষ মানুষের টিকাকরণ হয়েছে। কিন্তু মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আবার তা ১৩ লক্ষে নেমে আসে। কিন্তু জুনের ২০ তারিখ ফের তা ৩২ লক্ষে পৌঁছে যায়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা এই ওঠানামা চলতে থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যে কোনোভাবেই দেশের সমস্ত প্রাপ্তবয়ষ্কদের টিকাকরণ সম্ভব নয়।












Click it and Unblock the Notifications