কে আসল, একনাথ না উদ্ধব? শিবসেনার নতুন জাতীয় কার্যনির্বাহী গঠন নিয়ে প্রশ্ন
কে আসল, একনাথ না উদ্ধব? শিবসেনার নতুন জাতীয় কার্যনির্বাহী গঠন নিয়ে প্রশ্ন
বর্তমানে শিবসেনায় (Shiv Sena) কার ক্ষমতা বেশি, একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde) মহারাষ্ট্রের (Mamaharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার আগে থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল। এবার নিজেকে শিবসেনার প্রধান নেতা হিসেবে দাবি করলেন মহারাষ্ট্রের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। শিব সেনায় নিজের অনুগত নেতাদের নিয়ে নতুন জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করেছেন একনাথ শিন্ডে। সেখানে অবশ্য উদ্ধব ঠাকরেকে (Uddhav Thackeray) শিবসেনার সভাপতি হিসেবেই উল্লেখ করেছেন একনাথ।

সুপ্রিম কোর্টে 'শিবসেনা' শুনানি বুধবার
কে আসন শিবসেনা? তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একনাথ শিন্ডে এবং উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠীর আবেদন জমা পড়েছে। যা নিয়ে শুনানির দিন ধার্য হয়েছে বুধবার। এর মধ্যে দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত একনাথ শিন্ডের। উদ্ধব ঠাকরেকে সভাপতি রেখেই দলের নতুন জাতীয় কার্যনির্বাহী গঠন করেছেন। শিন্ডের এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন শিবসেনার ১৯ সাংসদের মধ্যে ১২ জন।

একনাথ শিবিরের ঘোষণা
একনাথ শিন্ডের শিবিরের তরফে সংবাদ মাধ্যমকে বলা হয়েছে উদ্ধব ঠাকরেকে দলের সভাপতি রাখা হয়েছে। তবে শিন্ডেঅ দলের প্রধান নেতা। বিধায়ক তানাজি সাওয়ন্ত, গুলাবরাও পাতিল, উদয় সামন্ত, প্রাক্তন সাংসদ শিবাদিরাও
আধলরাও পাতিল, যশবন্ত যাদব, প্রাক্তন আমলা বিজয় নাহাটা এবং অভিনেতা শরদ পঙ্কেশকে দলের ডেপুটি নেতা করা হয়েছে। দলের প্রধান মুখপাত্র করা হয়েছে বিধায়ক দীপক কেসরকারকে।

আগেই বরখাস্ত একনাথ
যদিও একনাথ শিন্ডের এই পদক্ষেপকে কোনওভাবেই মানতে রাজি নয় উদ্ধব ঠাকরে শিবির। তাদের তরফে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে, শিবসেনার জাতীয় কার্যনির্বাহী থেকে ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে একনাথ শিন্ডেকে। অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরেকে দলের প্রধান হিসেবে বহাল রাখা নিয়ে একটা বিষয় পরিষ্কার শিন্ডে শিবির উদ্ধব ঠাকরেকে ব্যক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, এর থেকে বেশি কিছু নয়। কেননা এই মুহূর্তে শিন্ডের দিকেই দলের অধিকাংশ বিধায়ক এবং সাসদ।

জোট বিজেপির সঙ্গেই
নব নিযুক্ত এখ ডেপুটি নেতা দাবি করেছেন, শিবসেনার জোট রয়েছে বিজেপির সঙ্গে। তারা হিন্দুত্ববাদীই রয়েছে, কোনও আদর্শ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি। সেই নেতা আরও বলেছেন, উদ্ধব ঠাকরেকে দলীয় প্রধান এবং শিন্ডেকে প্রধান নেতা হিসেবে ঘোষণা থেকে এটা নিশ্চিত করে দেওয়া গিয়েছে, কার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে শিবসেনা। এছাড়াও দলের অভ্যন্তরের আইনি লড়াইও বিবেচনা করা হয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজেদের গোষ্ঠীকে মূল বলে দাবি করার পিছনে রয়েছে দলত্যাগ বিরোধী আইন। কেননা শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়করা বিধানসভায় তাদের পৃথক অস্তিত্ব রাখতে পারবেন না। তাদেরকে কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। এক্ষেত্রে
শিন্ডের অনুগামী বিধায়করা কোনও দলের (এখানে বিজেপি) সঙ্গে মিলে যাওয়ার বিপক্ষে।












Click it and Unblock the Notifications