রাতের রাস্তায় আট ফুট লম্বা কে হেঁটে যাচ্ছে? মহারাষ্ট্রের ভিডিওয় চোখ ছানাবড়া
ভারী বৃষ্টি হচ্ছে মহারাষ্ট্রে। বিভিন্ন জায়গায় জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। জল ভেঙেই যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। রবিবার রাতে তিনিও রাস্তায় আটকে যান। জল থইথই শহরে তিনিও কি রাস্তা, দিক হারিয়ে ফেলেছেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। তার উপস্থিতি দেখে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
রবিবার সন্ধ্যার মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি এলাকায় এক অস্বাভাবিক দর্শনার্থীকে দেখা গিয়েছে। সম্ভবত তিনি স্থানীয় নদী থেকে উঠে এসেছেন। বৃষ্টি ভেজা রাস্তায় তাঁকে হাঁটতে দেখা যায়৷ আর তাঁকে দেখেই চক্ষু চড়কগাছ সাধারণ মানুষের৷ একটি বিশাল বড় মাপের কুমিরকে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা গিয়েছে।

রত্নগিরির চিপলুন এলাকার রাস্তায় ওই কুমিরকে হেঁটে যেতে দেখা গিয়েছে। চিপলুন শহরের চিনচনাকা এলাকায় অবিরাম বৃষ্টি হচ্ছিল৷ তার মধ্যেই ওই কুমিরটিকে হেঁটে যেতে দেখা যায়। কুমিরটির দৈর্ঘ্য লম্বায় প্রায় আট ফুট। একজন রিকশা চালক এই কুমিরটির হেঁটে যাওয়ার ভিডিও মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করেছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে সেই কথাই জানা গিয়েছে।
বৃষ্টিভেজা রাস্তায় কুমিরটি সামনের দিকে হেঁটে আসছে। রাস্তায় কয়েকটি যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। রিকশার আলোয় কুমিরটকে স্পষ্ট দেখা যায়৷ আর সেই ভিডিও ধরা পড়েছে মোবাইলে। কিন্তু এত বড় কুমির এল কীভাবে?
শহরের মধ্যে দিয়েই গিয়েছে শিব নদী। সেই নদীতে বেশ কিছু কুমিরের বাস। এই কথা জানা গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে নদীর জলতলও বেড়ে গিয়েছে। সেজন্য নদী থেকে কুমিরটি রাস্তায় চলে আসতে পারে। এই কথাও মনে করছে সাধারণ মানুষ।
গত বছরের শুরুর দিকে একই রকম একটি ঘটনা দেখা গিয়েছিল ভাদোদরায়। রাজ্যে বর্ষা আসার পরই বিশ্বামিত্রী নদীর কাছে রাস্তায় একটি কুমির দেখা গিয়েছিল। সেই কুমিরটির দৈর্ঘ্য ছিল ১২ ফুট। কুমিরটি ভাদোদরার বিশ্বামিত্রী নদী থেকে বেরিয়েছিল। বর্ষা মরসুমে এই অঞ্চলে একটি স্বাভাবিক ঘটনা। পরে বনকর্তারা সরীসৃপটিকে ধরে নদীতে ছেড়ে দেয়।












Click it and Unblock the Notifications