পূজা খেড়কর কে? মহারাষ্ট্রের বিতর্কিত ট্রেনি আইএএস অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ চমকে দেওয়ার মতো
আলোচনার চর্চায় ট্রেনি আইএএস অফিসার পূজা খেড়কর। একাধিক মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে পূজা খেদকরের বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি চাকরি পেয়েছেন। দাখিল করা জোড়া সার্টিফিকেটও জাল। এই অভিযোগও উঠছে৷
এই প্রশিক্ষণরত আইএএসকে অফিসার সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ সামনে আসছে। একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

মহারাষ্ট্রের পুণেতে অ্যাসিসট্যান্ট কালেক্টর হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন তিনি৷ এখন তাকে ওয়াশিম জেলার অ্যাসিসট্যান্ট কালেক্টর হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তিনি যথেষ্ট প্রভাব খাটিয়েছেন বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে৷ তবে পূজার কোনও প্রতিক্রিয়া এই খবর লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পুজার বাবা এই বছর লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করেছেন। এই কথাও শোনা গিয়েছে৷
আইএএস অফিসার হওয়ার জন্য আংশিকভাবে দৃষ্টিশক্তিহীন বিভাগ ও ওবিসি আওতাভুক্ত সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন পূজা। এই মারাত্মক অভিযোগ সামনে আসছে। এছাড়াও একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে পূজার বিরুদ্ধে। যে সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। সেই সবও তিনি নিচ্ছিলেন।
নিজের ব্যক্তিগত অডি গাড়ি আছে পূজার। সেই গাড়িতে লাল বাতি লাগানো হয়েছিল৷ এছাড়াও মহারাষ্ট্র সরকারের বোর্ড লাগানো হয়েছিল। অ্যাডিশনাল কালেক্টর যখন থাকতেন না, তখন তাঁর চেম্বারের একাংশও ব্যবহার করা হত। অ্যাডিশনাল কালেক্টরের অনুমতি ছাড়াই সেই অফিসের আসবাব সরিয়ে দেওয়া হয়৷ এই অভিযোগও উঠেছে৷
এখানেও শেষ নেই। পূজাকে নেমপ্লেট, লেটার হেড দিতে হবে। ভিআইপি গাড়ির নম্বরও দিতে হবে। অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যে সব সুযোগ সুবিধা পান। তাকে সেই সব দিতে হবে। এই জোরালো নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন৷ শেষপর্যন্ত তাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে।
আংশিক দৃষ্টিশক্তিহীন বিভাগে তিনি পরীক্ষা দিয়েছিলেন। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পাঁচ বার দিল্লি এইএমস হাসপাতাল তাকে ডেকেছিল৷ কিন্তু করোনা অতিমারির কারণ দেখিয়ে তিনি একবারও যাননি। পরে বেসরকারি হাসপাতালের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট তিনি জমা দিয়েছিলেন।
খেড়করের বাবা, একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক৷ প্রশিক্ষণার্থী আইএএস অফিসারের দাবিগুলি পূরণ করা নিশ্চিত করার জন্য জেলা কালেক্টরের অফিসে চাপ দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
পূজা ইউপিএসসি পরীক্ষায় কম নম্বর পেয়েছিলেন। কিন্তু যে সব তথ্য দাখিল করেছিলেন, সেজন্য তিনি সুবিধা পান৷ ইউপিএসসি পরীক্ষায় ৮২১ রযাঙ্ক করেছিলেন।যদিও পরে তিনি কোনও মেডিক্যাল টেস্ট দিতে যাননি বলে অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications