কত শতাংশ অভিভাবকের কাছে শিশুদের বড় করার হাতিয়ার স্মার্টফোন? আর কোন কাজে ব্যবহার, কী বলছে সমীক্ষা
স্মার্ট ফোন যেন আজকালকার দিনে শিশুদের খেলার সঙ্গী। একেবারে ছোটদের ক্ষেত্রে অনেকেই কার্টুন দেখানোয় স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন। তবে স্মার্টফোন আসার আগে বাচ্চাদের কীভাবে বড় করা হত, সেই সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই।
সম্প্রতি এক ফোন কোম্পানির সহযোগিতায় ওয়ানপোল.কম সমীক্ষায় প্রকাশ করেছে, বর্তমাব প্রজন্মের বাবা-মায়েরা তাদের সন্তানদের বড় করার জন্য স্মার্টফোনের ওপরে অনেক বেশি নির্ভরশীল। সমীক্ষায় ছয় বছর বা তার কম বয়সী প্রায় হাজার শিশুর থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

উত্তরদাতাদের প্রায় ৬১ শতাংশ বলছে, স্মার্টফোনগুলি বাবা-মায়েদের সব থেকে সহায়ক হাতিয়ার। ৭৭ শতাংশ শিশু যন্তের পরামর্শের জন্য প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৭৭ বার পর্যন্ত ফোন ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছেন অভিভাবকরা। সমীক্ষায় আরও দেখা গিয়েছে অভিভাবকরা, তাদের বাচ্চাদের জিনিসপত্র কেনাকাটা করার জন্য নিয়মিত স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন।
বর্তমান জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে স্মার্টফোন। আর সন্তানের জন্য তার ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা প্রতিদিনের জীবনে বিনোদন থেকে, চিকিৎসক, সংযোগকারী এবং আরও অনেক কিছুর ভূমিকা পালন করে থাকে স্মার্টফোন।
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, স্মার্টফোনের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ডেটা খরচ বেড়েছে। ফোনের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে প্রায় ৩৪ শতাংশ অভিভাবক তাদের ডেটা প্ল্যান আপগ্রেড করার কথা জানিয়েছেন।

বিনোদন ছাড়াও অভিভাবকরা আর যেসব কারণে তাদের স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন, তা হল ছবি তোলার জন্য। ৬৭ শতাংশ অভিভাবক তাদের ফোনকে এই কাজে ব্যবহার করেন। ৬২ শতাংশ অভিভাবক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠান। এছাড়াও ৬০ শতাংশ অভিভাবক তাঁদের ফোন ব্যবহার করেন আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানার জন্য।












Click it and Unblock the Notifications