Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরই কোন কোন বিষয় পরিবর্তন হলে ভারতের ওপর প্রভাব পড়বে?

আর কিছুক্ষণ, তারপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন। আনুষ্ঠানিক ভাবে শপথ গ্রহণ করবেন তিনি। আর এবার তিনি প্রেসিডেন্ট হতেই বিশ্বব্যাপী দেশগুলি আগত প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। ভারতও ওয়াশিংটনের সাথে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় কারণ ট্রাম্প বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অফিস দখল করবেন।

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন বিশ্ব বাণিজ্যের পাশাপাশি ভারতের অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণভাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হল ভারতের বৃহত্তম রপ্তানি দেশ, যা ২০২৪ আর্থিক বর্ষে মোট রপ্তানির প্রায় ১৮ শতাংশ ধার্য করেছে।

Donald Trump And Narendra Modi

  • ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্কের উপর প্রভাব

নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মেক্সিকো এবং কানাডার মতো দেশগুলির সাথে বাণিজ্য ঘাটতি সংকুচিত করার বিষয়ে স্পষ্টভাবে সোচ্চার হয়েছেন। ভারতও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে। কেননা ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পণ্যের উপর আরও শুল্ক আরোপের কথা বিবেচনা করতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

  • H-1B ভিসার সম্ভাব্য ভবিষ্যত

যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভবিষ্যৎ গড়তে চান তাদের এই বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত যে ট্রাম্প প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রপতি হওয়ার সময় বিদেশী প্রতিভার চেয়ে আমেরিকান কর্মীদের অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। যেহেতু ট্রাম্প ফিরে এসেছেন, যারা H-1B ভিসাধারী এবং সেই সাথে মার্কিন মুলুকে থাকার স্বপ্ন দেখছেন, তারা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রভাব সম্পর্কে এবার স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা দেখতে পাচ্ছেন।

H-1B ভিসা আমেরিকান কোম্পানিগুলিকে এমন কিছু ক্ষেত্রে বিদেশী কর্মী নিয়োগের অনুমতি দেয় যার জন্য প্রযুক্তিগত বা তাত্ত্বিক দক্ষতার প্রয়োজন হয়। আইটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইবার নিরাপত্তার মতো ক্ষেত্র গুলিতে দেশের প্রতিভাবান যুবক-যুবতীরা H-1B ভিসার জন্যে যোগ্য হিসাবে নির্ধারণ হন। আর এবার ট্রাম্পের আর্বিভাবে তার ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।

  • ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা

ট্রাম্প নির্বাচনের সময় শক্তির স্বাধীনতার প্রচারের উপর জোর দিয়েছিলেন এবং এটি ভারতের পক্ষে যেতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। যেহেতু ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরও তেল খননের অনুমতি দিতে চান, এটি বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল করবে। ভারতের মতো জ্বালানি আমদানিকারকের জন্য এটি একটি স্বাগত পদক্ষেপ হিসেবেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+