SSC Case Hearing: সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি মামলার শুনানি পিছিয়ে ১৫ জানুয়ারি, যোগ্য-অযোগ্য নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?

SSC Case Hearing: মঙ্গলবার সুপ্রিমকোর্টে হল না এসএসসির ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি। শুনানি মুলতুবি করে দিল সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court)। ১৫ জানুয়ারি হবে পরবর্তী শুনানি। এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে প্রথমেই ওঠে এসএসসি মামলা। তবে আর কিছু শুনানির প্রয়োজন রয়েছে ও আরও কিছু তথ্য জমার প্রয়োজন রয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার।

১৫ জানুয়ারি দুপুর ২টোয় পরবর্তী শুনানি হবে। সেদিনই শুনানি শেষ করার ইঙ্গিত রয়েছে। তার মধ্যে বাকিদের হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে সিবিআইকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে আজই। এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। রায়কে চ্যালেঞ্জ করে পাল্টা সুপ্রিমকোর্টে যায় রাজ্য ও চাকরিচ্যুতদের বেশ কয়েকজন। যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের জটেই আটকে রয়েছে মামলার ফয়সালা।

SSC

বৈধ ও অবৈধ চাকরি প্রাপকদের আলাদা করা সম্ভব হবে কি না সেদিকে তাকিয়ে ছিল গোটা দেশ। যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা এসএসসির তরফ আদালতে জমা দেওয়া হয় কি না, সেদিকেও তাকিয়ে ছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। যদিও সুপ্রিম কোর্টে এদিন শুনানি মুলতুবি হয়ে গেল। গত ১৯ ডিসেম্বর শেষ শুনানি সুপ্রিমকোর্টে প্রশ্নবাণের মুখে পড়েছিল রাজ্য। অবৈধদের চাকরিতে বহাল রাখতেই অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করা হয়েছিল কি না তা সরাসরি জানতে চায় সর্বোচ্চ আদালত।

২০১৬ সালের নিয়োগের গোটা তালিকা নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। "ডাল মে কুছ কালা হ্যায়, ইয়া সব কুছ কালা হ্যায়," এমনই মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে। ওএমআর কেন সংরক্ষণ করা হয়নি সেনিয়েও এসএসসিকে প্রশ্ন করে শীর্ষ আদালত। হাতে আসল ওএমআরই নেই বলে জানায় আদালত। মিরর ইমেজ সংরক্ষণ করা এসএসসির উচিত ছিল বলেও সওয়াল করে সুপ্রিম কোর্ট।

গত শুনানিতে গাজিয়াবাদ থেকে সিবিআইয়ের উদ্ধার করা হার্ডডিস্কে পাওয়া ওএমআর শিটের তথ্য নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করে আদালত। যোগ্য ও অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের কীভাবে আলাদা করা সম্ভব হবে, সেই বড় প্রশ্নের উত্তর অধরা ছিল গতবারের ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিটের শুনানিতে। এবারে সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে বলে আশা করেছিল সব পক্ষ। তবে ৭ জানুয়ারি হল না মামলার শুনানি।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে গত এপ্রিল মাসে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার গোটা প্যানেল বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসারক ও বিচারপতি মহম্মদ সব্বরের ওই রায়ের ফলে চাকরি হারান ২৫ হাজার ৭৫৩ জন। রায়কে চ্যালেঞ্জ করে পাল্টা সুপ্রিমকোর্টে যায় রাজ্য। শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন চাকরিচ্যুত বেশ কয়েকজন। আলাদা করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদও মামলা করে বলে খবর।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+