Wayanad landslide: ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ২৫০ পার! ওয়েনাড় যাচ্ছেন রাহুল-প্রিয়ঙ্কা
Wayanad landslide: কেরলের ওয়েনাডে সোমবার ভূমিধসের মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এখনও পর্যন্ত চারটি গ্রাম সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আড়াশোর বেশি। এখনও প্রচুর মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। ফলে তাঁরা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়াও বহু মানুষ আহত অবস্থায় রয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও প্রবল বৃষ্টির মধ্যে পাথর, কাদা এবং পড়ে থাকা বড় গাছ উদ্ধারে বাধা তৈরি করছে।

উদ্ধারে ভারতীয় সেনা
ভারতীয় সেনাবাহিনী চুরামালা ও মুন্ডক্কাইয়ের মধ্যে যে সেতুটি ভেঙে পড়েছিল সেটি অস্থায়ীভাবে তৈরি করছেন। প্রশাসনের আশা চুরামালা ও মুন্ডক্কাইয়ের মধ্যে সংষোগ রক্ষাকারী ১৯০ ফুটের ব্রিজটি বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে। সেনাবাহিনীর ১২২ ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়নের দুটি দলের মোট ২২৫ জন কর্মী এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন। উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেস তিনটি অনুসন্ধানী কুকুর একটি সি ১৭ বিমানও।
ওয়েনাড়ে রাহুল-প্রিয়ঙ্কা
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ওয়েনাড়ের উদ্দেশে রওনা রয়েছেন। সেখানে তাঁরা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারেগুলির সঙ্গে তাঁরা কথা বলবেন। বুধবারই তাঁদের ওয়েনাড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও আবহাওয়া খারাপ থাকায় কর্মসূচি পিছিয়ে দিতে হয়।
কংগ্রেস সূত্রে খবর, রাহুল ও প্রিয়াঙ্গা গান্ধী সরকারি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সেন্ট জোসেফ ইউপি স্কুল এবং মেপ্পডির ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করবেন।
বিধ্বস্ত একের পর এক গ্রাম
সোমবার গভীর রাতের প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যয় নেমে আসে ওয়েনাড়ে। ভোর রাত থেকে ভোর পাঁচটার মধ্যে একের পর এক ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। পাহাড়ের নিটে চেলিয়ার নদীর তীরে থাকা চুরামালা, আত্তামালা, নুলপুঝা ও মুন্ডক্কাই গ্রাম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। নদীর গতিপথও বদলে যায়। এই চারটি গ্রামে মূলত চা-বাগান শ্রমিকদের বসবাস ছিল।
অল্প সময়ের মধ্যে বড় পাথর, বড় গাছ পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নিচে গড়িয়ে পড়তে থাকে। গ্রামে একের পর এক বাড়ি জলে ভেসে যায়, না হলে ধ্বংসস্তূপের নিচে চলে যায়। এখনও ভূমিধসে অনেকে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
যে এলাকা ভূমিধসের কবলে সেই এলাকার জনসংখ্যা প্রায় ২২ হাজার বলে জানা গিয়েছে। ভূমিধসের সময় অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। ফলে কেউ বাড়ি থেকে বেরিয়ে সরে যাওয়ার সময় পর্যন্ত পাননি।
কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী
বুধবার কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেছেন, এনডিআরএফ, সেনাবাহিনী ও অন্যসংস্থাগুলি উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। ওয়েনাডের ভূমিধস এলাকা থেকে দেড় হাজারের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications