Jammu And Kashmir: এই প্রথম ভূস্বর্গের নাগরিক হিসেবে ভোটদেবেন বাল্মীকিরা
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন অসমে। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পরে এই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীরে। অর্থাৎ কেন্দ্র শাসিত কাশ্মীরের প্রথম বিধানসভা ভোট হতে চলেছে এবার। তার তোরজোর আগেই শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। লোকসভা ভোটে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছিল কাশ্মীরে। সেকথা জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
এই কাশ্মীরে এবার বিধানসভা ভোট করানো বড় চ্যালেঞ্জ কেবল তাই নয় এর প্রভাব কাশ্মীরের আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রেও পড়বে। এই প্রথম ভূস্বর্গের বাসিন্দা হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বাল্মীকি সম্প্রদায়ের মানুষ। ৩৭০ ধারা লাগু থাকার কারণে তাঁদের ভোটাধিকার এতোদিন ছিল না। প্রায় ৩৫০ পরিবার এবারই প্রথম কাশ্মীরের বিধানসভো ভোটে ভোটদান করবেন।

১৯৫৭ সালে এঁদের পূর্ব পুরুষরা পাঞ্জাব থেকে জম্মুতে এসেছিলেন। তাদের শৌচাগার পরিষ্কারের কাজ করানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। সমাজের অতোটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার পরেও তাঁদের ভোটাধিকার ছিল না রাজ্যে। এতো বছর ধরে তাঁরা বিধানসভা ভোটে ভোটাধিকার দিতে পারেনি। ৩৭০ ধারায় সেই নির্দেশিকা দেওয়া ছিল। কয়েক দশক ধরে জম্মু-কাশ্মীরে বসবাস করার পরেও তাদের দ্বিতীয় স্তরের নাগরিক করে রাখা হয়েছিল।
২০১৯ সালে মোদী সরকার কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করার পর তাঁরা ভোটাধিকার পেয়েছেন। কারণ ৩৭০ ধারা লাগু করার পাশাপাশি পুরনো সব নিয়ম খারিজ হয়ে গিয়েছে ভূসর্গ থেকে। ২০২০ সালে তাঁদের সেই নিয়মের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। এবং ভূস্বর্গের বাসিন্দা হিসেবে তাঁদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই প্রথম ভূস্বর্গের ১০ হাজার বাল্মীকি সম্প্রদায়ের বাসিন্দা এবার বিধানসভা ভোটের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
এর আগে ৩৭০ ধারা লাগু থাকার কারণে বাল্মীকি সম্প্রদায়ের কেই শিক্ষিত এবং যোগ্য হলেও সরকারি চাকুরির জন্য কাশ্মীরে আবেদন জানাতে পারতেন না। কারণ তাঁদের সেই রাজ্যে বসবাসের অধিকার রাখার কোনও সার্টিফিকেট দেওয়া হতো না। অর্থাৎ পারমানেন্ট রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট তাঁদের ছিল না। ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই নিয়মও খারিজ হয়ে গিয়েছে। ভোটাধিকার প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা এবার সরকারি চাকরির আবেদনও করতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications