এলাহাবাদ হাইকোর্টের নোটিশে চাপের মুখে যোগী সরকার! বাতিল হল ১২ ঘণ্টা কাজের নির্দেশ
এবার চাপের মুখে পড়ে রাজ্যে ১২ ঘন্টা কাজের নির্দেশ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হল উত্তরপ্রদেশ সরকার। কয়েকদিন আগেই শিল্প ক্ষেত্র গুৱিতে ৮ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টার কাজের নির্দেশিকা জারি করে।

এর জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকার অর্ডিন্যান্স জারি করে রাজ্যের শ্রম আইনে চারটি সংশোধনী এনে কাজের সময় বাড়ানোর কথাও বলে। করোনা সঙ্কট পরবর্তী সময়ে কাজের সময় বাড়িয়ে চিন পরিবর্তে ভারতে বিনিয়োগে টানতেই সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানানো হয়। সূত্রে খবর, তারপরেই ঘরে বাইরে চাপের মুখে পড়ে যোগী সরকার।
এরপরেই ১২ ঘণ্টা কাজের নির্দেশের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুমকি দেয় শ্রমিক সংগঠনগুলি। এদিকে গত ১৫ দিনে অর্ডিন্যান্স জারি করে উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশ শ্রম আইনে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছে। বলে জানা যাচ্ছে অন্যদিকে বিভিন্ন রাজ্য শ্রম আইনে পরিবর্তন আনার যে প্রস্তাব এনেছে তার বিরুদ্ধে আগামী ২২ মে গোটা দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন।
এরই মাঝে শনিবার এই বাড়তি সময় কাজের নির্দেশ প্রত্যাহারের জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশ দেয় এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালতের নোটিসের পরেই রাজ্যের সমস্ত কারখানার শ্রমিকদের ১২ ঘণ্টা কাজের বিতর্কিত নির্দেশ তুলে নিতে কার্যত বাধ্য হন যোগী আদিত্যনাথ।
এদিকে অসম, ত্রিপুরা সহ আরও বেশ কয়েকটি সরকার এই পথে হাঁটার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। এরমধ্যেই বৃহস্পতিবার ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত 'কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলির যৌথ প্ল্যাটফর্ম’-এর পক্ষ থেকে একটি বৈঠকও করা হয় বলে খবর। রাজ্য গুলির শ্রম আইন পরিবর্তনের এই নির্দেশিকার গুলির বিষয় গুলি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। এর প্রতিবাদে এইদিন একটি বিবৃতিও পেশ করা হয়। যেখানে উত্তরপ্রদেশ সরকারের ৩৮ টি শ্রম আইন বাতিল করার অর্ডিন্যান্স জারির বিরুদ্ধেও তোপ দাগা হয়। পাশাপাশি সঙ্কটের সুযোগ নিয়ে গুজরাট, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, বিহার এবং পাঞ্জাব একাধিক শ্রমিক বিরোধী পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications