HMPV: চিনের ঘটনায় আতঙ্কের কিছু নেই, ভাইরাস মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত ভারত, অভয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের
HMPV: চিনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস। শ্বাসকষ্টজনিত সংক্রমণে ভুগছেন অনেকেই। তবে এ দেশে এই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই। জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, চিনে যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা রোগীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে তা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এমনকী শ্বাসকষ্টজনিত সংক্রমণ মোকাবিলায় ভারত পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত।

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জয়েন্ট মনিটরিং গ্রুপের বৈঠক ডেকেছিল। বিবৃতিতে উল্লেখ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছ থেকে আসা তথ্যে নজরদারি চালাচ্ছেন আধিকারিকরা। অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে এই ভাইরাস সংক্রান্ত তথ্য আসছে। সত্যিই সম্ভাব্য কোনও বিপদ আছে কিনা সেটাও যাচাই করা হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত মাধ্যম দিয়েই পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেও বলা হয়েছে চিনে এই ভাইরাস সংক্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট বিস্তারিতভাবে সময়মতো জানানোর জন্য।
এ দেশে এখনও অবধি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ বৃদ্ধি বা রোগাক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিকই রয়েছে। এইচএমপিভির মতো ভাইরাসও ভারতে নতুন কিছু নয়। এই ধরনের ভাইরাস যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার জন্য দায়ী তার মোকাবিলার যাবতীয় পরিকাঠামো দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় রয়েছে।
ফলে কেউ চিনের ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ দেশে এলেও তা উদ্বেগের হবে না, সুস্থ করে তোলা সম্ভব। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছে, চিনের এই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হতে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা যার অন্যতম।
যদি কোনও রকম উপসর্গ কারও মধ্যে দেখা যায়, তবে দ্রুত চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। ভারতে যদি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ বৃদ্ধি পায় তাহলে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকলেই প্রস্তুত। পর্যাপ্ত নজরদারিও চলছে।
উল্লেখ্য, চিনে হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। শীতকালীন রোগ, বিশেষ করে অজানা উৎসের কারণে নিউমোনিয়া আক্রান্তদের সম্পর্কে তথ্য জানতে পাইলট মনিটরিং সিস্টেম গত মাসেই চালু হয়েছে চিনে।
শিশু ও বয়স্করা এইচএমপিভি ভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছেন। দ্রুত ভাইরাস ছড়াচ্ছে। এমন নানা কথা নিয়ে জোর চর্চা চলছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। উপসর্গগুলির মধ্যে রয়েছে ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি, কফ বসে যাওয়া, নাক দিয়ে জল পড়া, গলা ব্যথা ইত্যাদি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে তবেই এই ভাইরাসের কারণে কোনও রোগীর অবস্থা গুরুতর গতে পারে। শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলেই তাই দ্রুত চিকিসকদের দ্বারস্থ হওয়া জরুরি।












Click it and Unblock the Notifications