ব্রেকফাস্টে মুখোমুখি দুই শীর্ষ নেতা, ভুল বোঝাবুঝি নেই, ভাঙন নেই, আশ্বাস সিদ্দারামাইয়ার
দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে জল্পনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ই শনিবার সকালে বেঙ্গালুরুতে ব্রেকফাস্টের টেবিলে মুখোমুখি বসলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ও উপ মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। কংগ্রেস নেতৃত্বের উদ্যোগে এই বৈঠককে দেখা হচ্ছে দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে বহুদিনের চাপা উত্তেজনা প্রশমনের প্রয়াস হিসেবে।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, দলের ভেতরে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। তাঁর কথায়, "আমাদের লক্ষ্য ২০২৮ সালের নির্বাচন। স্থানীয় সংস্থার ভোটও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কংগ্রেসকে আবার ক্ষমতায় ফেরানোর লড়াই আমরা একসঙ্গেই লড়ব। আমাদের মধ্যে কোনও দ্বিমত নেই ভবিষ্যতেও থাকবে না।"

তিনি আরও বলেন, "হাই কমান্ড যা বলবে সেটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আগামীকাল থেকে কোনও বিভ্রান্তি তৈরি হবে না। কিছু সংবাদমাধ্যম নিজের মতো গল্প বানাচ্ছে, কিন্তু আসলে কোনও বিভ্রান্তি নেই।" বিজেপি ও জেডিএস এর বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন, "ওরা ভুয়ো অভিযোগ তোলে। অনাস্থা প্রস্তাবের কথা বলছে, কিন্তু ওদের কাছে যথেষ্ট সংখ্যা নেই। এটা বৃথা প্রচেষ্টা, আমরা সব অভিযোগের জবাব দেব।"
বিধাধাকদের দিল্লি যাওয়া নিয়ে জল্পনা নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর পরিষ্কার ব্যাখ্যা "কেউ কেউ মন্ত্রী হতে চাইতেই পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। হাই কমান্ডের নির্দেশই মেনে চলবে সবাই।"
উপমুখ্যমন্ত্রী শিবকুমারও একই সুরে বলেন, "আপনাদের সমর্থনে আমরা কংগ্রেস সরকার গড়েছি ও প্রতিশ্রুুতিমতো কাজ করছি। রাজ্যের মানুষ আমাদের পাশে আছে। তাদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই আমাদের লক্ষ্য। কোনও গোষ্ঠী কোন্দল নেই, আমরা একসঙ্গেই কাজ করছি। মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন, আমিও তার সঙ্গেই আছি।"
গত কয়েক মাস ধরে দুই নেতার সম্পর্ক নিয়ে দলীয় অন্দরে চাপা টানাপোড়েন চলছিল। ২০২৩ সালের নির্বাচনের সময় শোনা গিয়েছিল, পাঁচ বছরের মেয়াদে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ভাগাভাগি হতে পারে প্রথম ভাগে সিদ্দারামাইয়া, পরের ভাগে শিবকুমার। সিদ্দারামাইয়া মেয়াদের অর্ধেক পার করতেই শিবকুমার শিবিরের দাবি জোরালো হতে শুরু করে যে বাকিটা সময় তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বারবার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি পুরো পাঁচ বছরই দায়িত্বে থাকতে চান। তাঁর ছেলে যথীন্দ্রও জানিয়েছেন, নেতৃত্ব বদলের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই হাই কমান্ডের হাতে, এমন কোনও ইঙ্গিত এখনও পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার সিদ্দারামাইয়া বলেছিলেন, "দলের ভেতরে কোনও লড়াই নেই, বিভ্রান্তিও নেই। মিডিয়া নিজেরাই গল্প তৈরি করছে। নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে হাই কমান্ড কিছু বলেনি। কোনওদিন আলোচনা দরকার হলে ওরা আমাদের ডাকবে।"
ব্রেকফাস্টের টেবিলের এই সাক্ষাৎকার তাই কংগ্রেসের কর্ণাটক শিবিরে আপাতত শান্তির বার্তা বয়ে আনছে।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
মালদহের ঘটনা তৃণমূলের পরিকল্পিত ও সংগঠিত, কালীঘাটে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করে দাবি শুভেন্দুর -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications