তুর্কমান গেটের সহিংসতা, ৩০ পাথরবাজ শনাক্ত, তদন্তে নতুন ৪০০ ভিডিও
তুর্কমান গেটের সহিংসতার ঘটনায় নড়েচড়ে বসল দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবার পুলিশ জানায়, ওই রাতে পাথরবিদ্ধে গুরুতর জখম পাঁচ পুলিশকর্মীর উপর হামলার ঘটনায় অন্তত ৩০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে চলছে বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক হানা।
ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় একের পর এক ভিডিও। পুলিশ সূত্রের খবর তাদের হাতে এখন পর্যন্ত চার শতাধিক ভিডিও ফুটেজ রয়েছে ও সবকটিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় নজরে এসেছেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ মোহিবুল্লাহ নাদভীও। তুর্কমান গেটের ফয়জ ই ইলাহী মসজিদের কাছে পাথরবৃষ্টি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই তাঁকে সেখানে দেখা যায়। পুলিশের সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগেনি। তদন্তে যোগদানের জন্য তাঁকে নোটিস পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, বুধবার গভীর রাতে ফয়জ ই ইলাহী মসজিদের লাগোয়া রামলিলা মাঠ এলাকায় এমসিডির বেআইনি দখল উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন হঠাৎই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সোশ্যাল মিডিয়ায় 'মসজিদ ভাঙা হচ্ছে' এমন দাবি ছড়িয়ে পড়তেই দু'শোর বেশি মানুষ জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে কিছু অংশ পুলিশ ও এমসিডি কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ও কাঁচের বোতল ছোড়ে। পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন।
পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে ও লাঠিচার্জ করে। ঘটনাস্থল থেকে এক কিশোর সহ পাঁচজনকে আটক করা হয়, পাশাপাশি ১০ থেকে ১৫ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
এমসিডি ডেপুটি কমিশনার বিবেক কুমার জানান মসজিদে কোনও ক্ষতি হয়নি। আদালতের নির্দেশেই মসজিদের পাশের জমি ও একটি কবরস্থানের লাগোয়া এলাকায় অবৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনা, যেমন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্যাঙ্কোয়েট হল ভেঙে ফেলা হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য, জড়ো হওয়া সাধারণ মানুষদের অধিকাংশই অনুরোধে সরে গেলেও একদল বিক্ষোভ শুরু করে ও পরে তা সহিংসতায় রূপ নেয়।তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন এটি আকস্মিক উত্তেজনা না কি পূর্বপরিকল্পিত হামলা।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে হস্তক্ষেপ ও কাঁদানে গ্যাস প্রয়োগের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় ও এলাকায় ফের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।












Click it and Unblock the Notifications