দিল্লিতে তৃণমূলের মেগা বিক্ষোভের পরিকল্পনা! তিন জায়গায় দু'দিন ধরে প্রতিবাদে পুলিশের কাছে অনুমতি প্রার্থনা
এমজিএনআরইজিএ-তে বাংলার বকেয়া টাকা আদায়ে ২ অক্টোবর দিল্লিতে তৃণমূল সমাবেশের ডাক দিয়েছিল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে সেই ডাক দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই কর্মসূচিতে অনুমতি দেয়নি অমিত শাহের পুলিশ। এবার ফের একবার বিক্ষোভের পরিকল্পনা নিয়ে চিঠি তৃণমূলের।
তৃণমূলের তরফে দিল্লি পুলিশকে দেওয়া চিঠিতে তিন জায়গায় বিক্ষোভের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। সেই বিক্ষোভ ২ অক্টোবরের পাশাপাশি ৩ অক্টোবরও চলবে বলা জানানো হয়েছে তৃণমূলের তরফে। চিঠিতে বলা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেবেন। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বিক্ষোভে যোগ দেবেন বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

পার্লামেন্ট স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনে দিল্লি পুলিশের ডিসিপির কাছে দেওয়া চিঠিতে তিনটি জায়গায় বিক্ষোভের কথা বলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। তিনটি জায়গা হল যন্তরমন্তর, কৃষি ভবনের বাইরে এবং গিরিরাজ সিং-এর বাসভবনের বাইরে।
২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি চলোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ২ অক্টোবর দিল্লি যাবেন এবং বাংলার বকেয়া টাকা আটকে রাখার প্রতিবাদ করে কৃষি ভবনের বাইরে বিক্ষোভ হবে। পরবর্তী সময়ে রামলীলা ময়দানে সেই কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যদিও তার অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাদের সামনে তিনটি বিকল্প রয়েছে বকেয়া টাকা আদায়ে। আবেদন, নিবেদন ও বিক্ষোভ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয় বিকল্প বেছে নিতে বলেছেন বলে জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
তার আগে অবশ্য রাজ্যের ৩৪১ টি ব্লকের বিজেপি নেতাদের তালিকা তৈরি করে ৫ অগাস্ট তাদের বাড়ি ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি। যদিও আদালতের নির্দেশে সেই ঘোষিত কর্মসূচি থেকে সরে আসে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে ২ অক্টোবরের কর্মসূচি বজায় ছিল। সেখানে প্রথম পর্যায়ে দিল্লি পুলিশ অনুমতি দেয়নি।
দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় ১০০ দিনের কাজ ছাড়াও, আবাস যোজনা, গ্রাম সড়ক যোজনায় বাংলার বরাদ্দ আটকে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল বঞ্চনার অভিযোগ করেছে। সেই বঞ্চনার প্রতিবাদ করে ২ অক্টোবর আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications