দিল্লিতে তৃণমূলের ধাক্কা, এসআইআর ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের দরজায় দশ সাংসদ
এসআইআর এর বিরুদ্ধে আন্দোলন আর শুধু রাজ্যের মধ্যে আটকে নেই। রাজনৈতিক তাপমাত্রা এবার পৌঁছেছে রাজধানী দিল্লিতে। শুক্রবার সকালেই তৃণমূল কংগ্রেসের দশ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল ঢুকে পড়ে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে। নেতৃত্বে ডেরেক ও ব্রায়েন, সঙ্গে আরও নয় সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শতাব্দী রায়, দোলা সেন, মহুয়া মৈত্র, প্রকাশ চিক বরাইক, সাজদা আহমেদ, মমতাবালা ঠাকুর, প্রতিমা মণ্ডল ও সাকেত গোখলে।
ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেদিন ঘোষণা করেন এসআইআর ইস্যু নিয়ে এবার সরাসরি দিল্লির বুকে চাপ বাড়াবে তৃণমূল। তাঁর নির্দেশে গঠিত হয় দশ সাংসদের বিশেষ টাস্কফোর্স, যাদের দায়িত্ব ছিল নির্বাচন কমিশনের কাছে সরাসরি প্রতিবাদ জানানো।

কিন্তু বাধা এল কমিশনের দিক থেকেই। প্রথমে জানানো হয় দশজন নয়, মাত্র পাঁচজন সাংসদই বৈঠকে ঢুকতে পারবেন। তৃণমূল সঙ্গে সঙ্গে আপত্তির সুর তুলল। অভিষেক প্রকাশ্যেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন "স্বচ্ছ্ব হলে ভয় কীসের? দশ জন সাংসদই দেখা করবেন। আর পাঁচটি প্রশ্নের খোলা ময়দানে জবাব দিন লাইভ টেলিকাস্টেই।"
শেষ পর্যন্ত কমিশন নরম সুরে পিছু হটে, অনুমতি দেয় পুরো দলের প্রবেশে। তবে লাইভ টেলিকাস্টের প্রস্তাব তারা বিন্দুমাত্র মানেনি।
অভিষেকের তরফে এরও কড়া প্রতিক্রিয়া আসে। তাঁর ভাষায় "আমাদের প্রতিনিধিরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারেরা যে সরকারি শৃঙ্খলে বাঁধা, তা তো সবাই জানেন। পরে আবার নির্বাচিত অংশটাই ফাঁস করে স্বচ্ছতার মুখোশ দেখানোর চেষ্টা চলুক তা হতে দেওয়া যাবে না।"
দিল্লির রাজনৈতিক অঙ্গনে তৃণমূলের এই চাপ নতুন উত্তাপ বাড়িয়েছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর তৃণমূল পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয়।












Click it and Unblock the Notifications