Tripura TMC: মোহভঙ্গ! তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর ‘ঘরওয়াপসি’, বিজেপিতে ফিরলেন বহিষ্কৃত নেতা
বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় ডাহা ফেল তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনের পর ফের তৃণমূল ভিনরাজ্যের বিস্তারে ধাক্কা খায়। তৃণমূলের সভাপতি পীযুষকান্তি বিশ্বাস ইস্তফা দেন। এই মুহূর্তে তৃণমূলের সংগঠনে ভঙ্গুর অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রার্থী বহিষ্কৃত নেতা বিজেপিতে ফিরে এলেন।
ত্রিপুরায় ঘরওয়াপসি হল বহিস্কৃত তৃণমূল নেতার। বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা জায়দুল হোসেন এদিন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, তৃণমূল সন্ত্রাস চালিয়েছে, তাই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ফিরলেন তিনি।

তার পাল্টা তৃণমূল জানিয়েছে, ওই নেতা সুবিধাবাদী। তাই দল বদলালেন। ২০২৩-এর বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বক্সনগর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন। ভোটের আগে তাঁর সমর্থনে সভা করেছিলেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিতে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তারপর তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন।
বিজেপি সেই বহিষ্কৃত নেতাকে আবার দলে ফিরিয়ে নিল এদিন। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সময়ে তাঁকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করে। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন জায়দুল। আবার তার ঘরওয়াসি হল।
এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দল ছাড়েন। ২০২৩-এ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার নিয়েছিলেন পীযূষকান্তি বিশ্বাস। কিন্তু ৬ মাস কাটতে না কাটতেই ব্যক্তিগত সমস্যার কারণ দর্শিয়ে তিনি পদত্যাগ করেন। আর তারপর একে একে তৃণমূল ছাড়ার পালা চলছে।
এবার বিধানসভা নির্বাচনে সে অর্থে কোনও ফায়দা তুলতে পারেনি তৃণমূল। কোনও আসনও জিততে পারেনি। ভোট শতাংশও তলানিতে। বরং কংগ্রেস ও বাম জোট দাগ কেটেছে অনেকটাই। তারা প্রদ্যোৎ কিশোর মাণিক্যের দল টিপ্রামোথার সঙ্গে জোট করতে পারলে বিজেপিকে এবার ক্ষমতা থেকে সরাতে পারত, এমন আভাস ছিল ফলাফলে।












Click it and Unblock the Notifications