শুক্রবার ভারত বনধের ডাক! কৃষকদের সঙ্গে তৃতীয় দফার আলোচনা, চণ্ডীগড়ে তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
আন্দোলনরত কৃষকরা ষোলো ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ভারত বনধের ডাক দিয়েছেন। কৃষকদের সংগঠন সম্মিলিত কিষাণ মোর্চা সব সম মনোভাবাপন্ন কৃষক সংগঠনগুলিতে ষোলো ফেব্রুয়ারি ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভারত বনধে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সকাল ছটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত এনিয়ে বিক্ষোভ চলবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে এই ভারত বনধের ডাকের মধ্যে কৃষকদের সঙ্গে তৃতীয় দফার আলোচনা শুরু করতে তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চণ্ডীগড়ে পৌঁছেছেন। ইতিমধ্যে তাঁরা আলোচনাও শুরু করেছেন। আলোচনায় অংশ নেওয়া তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হলেন, অর্জুন মুন্ডা, ,পীযুষ গোয়েল এবং নিত্যানন্দ রাই। সেখানে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীও হাজির রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগে কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই কৃষকদের সঙ্গে দ্বিতীয়দফার আলোচনা শেষ হয়। তারপর মঙ্গলবার পঞ্জাব-হরিয়ানা সীমান্তে কৃষক আন্দোলন রুখতে বলপ্রয়োগ করে সরকার। তারপরে এদিন সকালেই কৃষকরা দিল্লি চলোর প্রস্তুতির কথা ফের ব্যক্ত করেন।
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে কৃষকরা শুক্রবার দুপুর বারোটা থেকে বিকেল চারটের মধ্যে দেশব্যাপী প্রধান সড়কগুলিতে চাক্কা জ্যামে যোগ দেবেন। এই কারণে শুক্রবার পঞ্জাবের বেশিরভাগ রাজ্য ও জাতীয় মহাসড়ক চারঘন্টার জন্য বন্ধ থাকবে।
এদিকে যোলোই ফেব্রুয়ারি শিল্প ধর্মঘট ও ভারত বনধের সমর্থনে শ্রমিক-কৃষকদের যৌথ আহ্বানে বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীরা যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে যৌথ বিবৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে সমর্থন প্রসারিত করতে সর্বস্তরের মানুষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
অপর একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী শুক্রবার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস ও গ্রামের দোকানপাট বন্ধ থাকতে পারে। এছাড়াও পরিবহণ, কৃষি, এমএনআরইজিএ এবং গ্রামীণ শিল্প ও পরিষেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
কৃষকদের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, সব ফসলের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য, ক্রয়ের আইনি গ্যারান্টি, ঋণ মকুব, বিনামূল্যে ৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ এবং স্মার্ট মিটার না। তবে কৃষক সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ভারত বনধের সময় অ্যাম্বুলেন্স, বিয়ে, ওষুধের দোকাম, স্কুল ইত্যাদির মতো জরুরি পরিষবা প্রভাবিত হবে না।
এর আগে বুধবার কৃষকদের আন্দোলন-বিক্ষোভ দ্বিতীয় দিনে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা বলেছেন, সরকার কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করতে তৈরি। সরকার কৃষকদের তরফে আলোচনায় প্রস্তাবের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে আন্দোলনের নামে যাতে সাধারণের জীবনযাত্রা যাতে ব্যাহত না হয়, তার জন্য লক্ষ্য রাখতে আহ্বান করেছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications