ওয়েনাড়ের ত্রাণ শিবিরে কান্নার রোল, প্রিয়জনদের সমানে খোঁজ চলছে
আকাশ গুমোট অন্ধকার করে রয়েছে। চারদিকে জল কাদার স্তূপ। সেনাবাহিনী ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে ত্রুটি রাখছে না। কেরলের ওয়েনাড় যেন এখন মৃত্যুপুরী। মুন্ডাক্কাই, ছুরালমালা, আট্টামালা এলাকা এখন ধ্বংসস্তূপের চেহারায়।
ভূমিধসে কেরলের ওয়েনাড় এলাকা এখন বিপর্যস্ত৷ তিনটি ভূমিধস চার দিক তোলপাড় করে দিয়েছে। ঘুরিয়ে দিয়েছে নদীর গতিপথ৷ জনজীবন ঠিক করে সুস্থ, স্বাভাবিক হবে? সেই বিষয়ে এখন কিছুই বলা যাবে না।

সেনাবাহিনী, বায়ু সেনা, এনডিআরএফ, একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। মৃতের সংখ্যা দেড়শো ছাড়িয়ে গিয়েছে। বুধবার সকালে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে। বহু মানুষ এখন ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। পর্যাপ্ত ওষুধ, পানীয় জল ও খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ত্রাণ শিবিরে আতঙ্ক ও কান্না দুই দেখা যাচ্ছে।
রাতের ঘুমের মধ্যে বহু মানুষ ভেসে গিয়েছে। অন্ধকারে কিছু বোঝাও যায়নি। জল কাদার স্রোত বাড়িঘর ভেঙেছে। পরিবার-পরিজনদের টেনে নিয়ে চলে গিয়েছে। রাতের কথা ভোলা সম্ভব নয়। চারদিকে যেন প্রলয় হচ্ছে। এমনই বলছেন ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষজন। বাড়িঘর, স্কুল সবই ধসে গিয়েছে জলের তোড়ে। ভেসে গিয়েছে বহু গাড়ি। মোবাইল টাওয়ার, ছোট বড় গাছ গুঁড়ি শুদ্ধ উপড়ে গিয়েছে বিপর্যয়ে।
বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ। মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। মৃত্যু মিছিল কোথায় গিয়ে শেষ হবে? এখন স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না৷ আট্টামালা এলাকা যেন কাদাজলের স্তূপ। ছুরালমালা, মুন্ডাক্কাই এলাকার ছবিটাও কার্যত এক। জল কাদার স্তূপের গভীরতা কতটা? তাও উপর থেকে বোঝা সম্ভব হচ্ছে না। সেনাবাহিনীও প্রচুর সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। বিপর্যয় কোথায় গিয়ে শেষ হবে? তাই নিয়ে আশঙ্কার মেঘ।












Click it and Unblock the Notifications