সরকারি কর্মচারীদের গুণমান পরীক্ষা করবে ত্রিপুরা সরকার, ছাঁটাইয়ে আতঙ্ক কর্মীদের মনে
সরকারি কর্মচারীদের গুণমান পরীক্ষা করবে ত্রিপুরা সরকার, ছাঁটাইয়ে আতঙ্ক কর্মীদের মনে
এবার থেকে সরকারী কর্মচারীদের পরিষেবার গুণগত মান পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নিল ত্রিপুরা সরকার। বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় যে সমস্ত সরকারি কর্মচারী ৫০ বছর বয়স অতিক্রম করেছেন অথবা যারা দীর্ঘ ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে চাকরি করছে তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে এই নিয়ম। ইতিমধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গেছে বলেও সরকারি সূত্রে খবর। যদিও এর পিছনে অন্য রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন অনেক সরকারি কর্মচারীই।

ত্রিপুরা সরকারের এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে সমস্ত সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকরা ৫০ বছর বয়স পেরিয়েছেন বা ৩০ বছর ধরে চাকরি জীবনের সাথে যুক্ত আছেন, তাদের শারীরিক ফিটনেস সার্টিফিকেট দেখাতে হবে সরকারকে। ফিটনেস সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
৩১এর ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় ধার্রয করা হয়েছে ফিটনেস সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার জন্য। ওই নির্দেশিকায় সমস্ত সরকারি দপ্তরের বিভাগীয় প্রধানদের আদেশ দেওয়া হয়েছে তাদের অধীনে থাকা সমস্ত কর্মীদের পূর্ববর্তী কাজের রেকর্ড পর্যালোচনা করার জন্য ।এই বিজ্ঞপ্তিটি জারি হওয়ার পর থেকেই ত্রিপুরার প্রায় সমস্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, সরকার আসলে রাজ্যে স্বেচ্চায় অবসর গ্রহণ প্রকল্প (ভিআরএস) বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। এই প্রকল্প অনুসারে বার্ধক্য জনিত অথবা অন্যান্য কোনও কারণে কোনও সরকারি কর্মচারী যদি সঠিক ভাবে কাজ করতে না পারেন, তাহলে তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করতে পারবেন। তবে প্রশ্ন উঠছে ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে যারা সরকারি পরিষেবায় যুক্ত হঠাত তাদের কর্মজীবন পর্যালোচনা করার প্রয়োজন পড়লো কেন?
ত্রিপুরা সরকার শিক্ষক সমিতির (টিজিটিএ) নেতা অসীম পাল বলেন," দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে ৬০ বছর অবধি চাকরির অধিকার পেয়েছি আমরা। কিন্তু এখন বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার কর্মীদের অধিকার হ্রাস করার চেষ্টা করছে।"তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মীদের ছাঁটাইয়ের উদ্দেশ্যে এই ধরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।"












Click it and Unblock the Notifications