Monkeypox: বিদেশ থেকে ফিরে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগী? কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক কী জানাল? জানুন উপসর্গ
Monkeypox: ভারতে মিলল সন্দেহভাজন মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগীর হদিশ। যে দেশগুলিতে মাঙ্কিপক্স ছড়িয়েছে, তারই একটি দেশে ওই ব্যক্তি সম্প্রতি গিয়েছিলেন বলে জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
ভারতে মাঙ্কিপক্সের চিকিৎসা যে হাসপাতালগুলিতে হয় তার একটিতে ওই রোগী ভর্তি হয়েছেন। চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তাঁর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের খোঁজ চলছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, একজন পুরুষ রোগীর মাঙ্কিপক্স হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এমপক্স (Mpox) বা মাঙ্কিপক্স (monkeypox) ব্যাপকভাবে যে দেশগুলিতে ছড়িয়েছে, আফ্রিকার সেই দেশগুলির একটিতে তিনি গিয়েছিলেন। তাঁকে হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। অবস্থা স্থিতিশীল।
মাঙ্কিপঙ্ক ভাইরাসের সংক্রমণে এমপক্স রোগ হয়। সন্দেহভাজন মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এমপক্স আক্রান্ত হয়েছে নিশ্চিত হলে যে চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে সেই সংক্রান্ত নির্দেশিকা মেনেই চিকিৎসা চলবে। তাঁর সংস্পর্শে আসা সকলকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাতে দেশে কতটা এই রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে তা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাইছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
গত ১৪ অগাস্ট বিশ্বজুড়ে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ নিয়ে জরুরি সতর্কবার্তা গিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্বজুড়ে এই রোগের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে সচেতন করতে ২০২২ সালেও হু এমনই সতর্কবার্তা জারি করে। সাধারণত রোগাক্রান্ত কারও কাছাকাছি এলে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। এমপক্সে আক্রান্ত কেউ কোনও জিনিস ব্যবহার করলে বা কোনও কিছু ছুঁলে তার মাধ্যমেও সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে যায়।
কোনও পশুর মাধ্যমেও কোনও ব্যক্তি এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। এই রোগে মৃত্যুর হার তেমন বেশি নয়। ২-৪ সপ্তাহেই রোগী সুস্থ হয়ে যান। ক্ষত, মুখে, হাতের তালুতে বা পায়ের তলায় ফুসকুড়ি জাতীয় কিছু হওয়া, জ্বর, চুলকানি, শরীরের নানা অঙ্গে ব্যথা, ঠান্ডা অনুভূতি এই রোগের উপসর্গ।
সংক্রমিত হওয়ার মধ্যে থেকে উপসর্গ পরিলক্ষিত হতে ৬ থেকে ১৩ দিন লাগতে পারে। আবার ৫ থেকে ২১ দিনও হতে পারে। শিশুদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এই রোগের চিকিৎসার জন্য কোনও পদ্ধতি নেই। কতটা সংক্রমিত হয়েছেন রোগী, তার উপরই সুস্থতার বিষয়টি নির্ভর করে।
রোগীকে আইসোলেশনে রেখে নিশ্চিত করা হয় যাতে তাঁর শরীরের সঙ্গে অন্য কারও ছোঁয়া না লাগে, লালা বা শ্লেষ্মার মাধ্যমে তা ছড়াতে না পারে। নিউট্রিশনাল সাপোর্ট, অ্যান্টিবায়োটিক, রিহাইড্রেশন থেরাপি চলতে পারে। সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, স্যানিটাইজার ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে কোনও পশু বা রোগাক্রান্ত কোনও ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে।
একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক দাবি করেছে, বিদেশ থেকে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ফিরলে তার মোকাবিলার সমস্ত পরিকাঠামোই তৈরি। দেশে যদি এই রোগ ছড়ায় তাহলেও অহেতুক উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।












Click it and Unblock the Notifications