সুশান্তকে খুন করা হয়েছে, জড়িত দুবাইয়ের পেশাদার খুনিরা, টুইটে দাবি সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর
সুশান্তকে খুন করা হয়েছে, দাবি সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যর ঘটনার সঙ্গে একাধিক তত্ত্ব উঠে আসছে। যার কোনটা ভুল আর কোনটা ঠিক সঠিকভাবে এখনও জানা নেই। যদিও এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে মুম্বই পুলিশ, সিবিআই ও ইডি। একদিন আগেই সুশান্ত কাণ্ডের সঙ্গে মাদক ডিলারের যোগ সামনে এনেছেন বিজেপি নেতা ও রাজ্য সভার সাংসদ সুব্রহ্ম্যণম স্বামী। এবার তিনি ফের টুইটারের মাধ্যমে দাবি করেছেন যে বলিউড অভিনেতাকে খুন করা হয়েছে।

সুশান্ত কাণ্ডের ওপর নজর স্বামীর
প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এই ঘটনায় মুম্বই পুলিশকে কাঠগড়ায় তোলার পাশাপাশি দুবাইয়ের পেশাদার খুনিদের জড়িত থাকার বিষয়টি তুলেছিলেন। সুব্রহ্মণ্যম স্বামী বুধবার বলেন, ‘প্রথম দিন (৯ জুলাই) থেকে আমি বলে এসেছি যে সুশান্তকে খুন করা হয়েছে। মুম্বই পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং এর সঙ্গে দুবাইও তাই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমায় এখন এটা প্রমাণ করতে হবে যে খুনের আগে ঠিক কি ঘটনা ঘটেছিল এবং বলিউডের কারা কারা জড়িত।'

দুবাইয়ের পেশাগত খুনি জড়িত
সুশান্ত মামলার প্রধান অভিযুক্ত বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী এবং আরও বেশ কয়েকজন ব্যক্তির মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপের কথোপকথনের একদিন পরে এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন বিজেপি নেতা। ওই চ্যাটগুলি একটি সর্বভারতীয় চ্যানেলেও চালানো হয়েছিল। চ্যাটের কথোপকথনে উঠে আসে যে রিয়ার সঙ্গে মিষিদ্ধ মাদকের যোগ রয়েছে। সুশান্তের বান্ধবী রিয়ার বিরুদ্ধ ইতিমধ্যেই প্রয়াত অভিনেতার পরিবার অভিযোগ তুলেছে। রিয়া এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। সম্প্রতি স্বামী অভিযোগ তুলেছেন যে অর্থ তছরূপ ও দুবায়ের পেশাগত খুনিরা সুশান্ত সিংয়ের খুনের সঙ্গে জড়িত।

সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে একাধিক প্রশ্ন
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে স্বামী বলেন, ‘বিশ্বের কোথাও নিখুঁত অপরাধ হয় না এবং সুশান্ত কাণ্ডেও দরজা না ভাঙা ও একজনের বদলে দু'টি দেহ বেড়িয়ে যাওয়ার মতো বোকা বোকা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।' তিনি সুশান্তের বন্ধু সন্দাপ এসসিংয়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন। স্বামী বলেন, ‘সন্দীপ এসসিং কতবার দুবাই গিয়েছেন এবং কেন তাঁকে প্রশ্ন করা হোক।'

বিষ দিয়ে মারা হয় সুশান্তকে
সুশান্ত কাণ্ডের প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা বিজেপি নেতা টুইটে বলেন, ‘ধীরে ধীরে খুনিদের হদিশ এবার মিলবে আর তাদের দুরভিসন্ধি প্রকাশ্যে আসবে। ইচ্ছে করেই ময়নাতদন্ত দেরিতে করা হয়েছিল যাতে সুশান্তের দেহের হজম ক্ষমতায় পাকস্থলীর বিষ দ্রবীভূত হয়ে যায়। এর নেপথ্যে যারা রয়েছে, এবার তাদের ধরার সময় এসে গিয়েছে।' সুশান্ত মামলায় এই দাবির সপক্ষে তিনি সুনন্দা পুস্করের মৃত্যু মামলার উদাহরণও টেনে এনেছেন। তিনি বলেন, ‘সুনন্দা পুস্করের ঘটনায় এইমসের চিকিৎসকরা তাঁর পেটে যেটা পেয়েছিল তা সত্যি ছিল। যেটা শ্রীদেবী বা সুশান্তের ঘটনার ক্ষেত্রে হয়নি। সুশান্ত সিংয়ের মৃত্যুর দিন তাঁর সঙ্গে দুবাইয়ের মাদক ডিলার আয়েশ খান কেন দেখা করেছিলেন? খতিয়ে দেখা হোক?'












Click it and Unblock the Notifications