টাস্ক ফোর্সে থাকা বিশেষজ্ঞদের যোগ্যতা কম নাকি চিতার অসুখ! তথ্য চাইল সুপ্রিম কোর্ট
নামিবিয়া থেকে আনা চিতাগুলির মধ্যে একটি মহিলা চিতার মৃত্যু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের কুনোর জঙ্গলে 'শাসা' নামে ওই চিতাটির মৃত্যু হয়। আর এই ঘটনার একদিনের মধ্যেই এই বিষয়ে নড়েচড়ে বসল সুপ্রিম কোর্ট। চিতা টাস্ক ফোর্সে থাকা বিশেষজ্ঞদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে তলব করল শীর্ষ আদালত।
যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাশা'র কিডনিতে সংক্রমণ হয়েছিল। মৃত্যু নিয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এমনকি নামিবিয়া থেকে আসার আগে থেকেই সাশা অসুস্থ ছিল বলেও জানানো হয়েছে।

চিতাদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়েও রিপোর্ট তলব
আর এরপরেই চিতার মৃত্যু নিয়ে তথ্য তলব করা হলো। বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের বেঞ্চ টাস্ক ফোর্সের সাথে জড়িত চিতা বিশেষজ্ঞদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী দুসপ্তাহের মধ্যেই এই সংক্রান্ত তথ্য দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাকি চিতাদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়েও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে
সরকারের একটি আবেদন সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। যেখানে ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি (NTCA) এখন বিশেষজ্ঞ কমিটির নির্দেশিকা বন্ধ করার দাবি করা হয়েছিল। কমিটির গঠন সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। অন্যদিকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট প্রশান্ত চন্দ্র সেন অভিযোগ করে বলেন পরিবেশমন্ত্রক যে টাস্কফোর্স গঠন করেছে তাতে চিতা বিশেষজ্ঞ একজনও নেই।

রেকর্ড করা হবে বিষয়টি
আর এরপরেই কেন্দ্রের অ্যাডিশনাল জেনারেলকে আদালতের অনুরোধ, টাস্ক ফোর্সে থাকা সদস্যদের যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত তথ্য হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে। এমনকি কোন সদস্য কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেছেন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতাই বা কি এই সমস্ত তথ্য জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এমনকি বিষয়টি রেকর্ড করার কথাও সুপ্রিম কোর্টে বলেছে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি থেকেই চিতার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়
বেশ কিছুদিন ধরেই 'সাশা' অসুস্থ ছিল। এমনকি চিকিৎসকরা চিকিৎসা করে জানিয়েছিলেন যে মহিলা চিতাটির অবস্থা ভালো নয়। আর জানুয়ারি মাসেই তা জানান চিকিৎসকরা। এরপর থেকে কড়া নজর রাখা হচ্ছিল ওই চিতাটির উপর। আজ সোমবার জঙ্গলের মধ্যেই নির্দিষ্ট একটি ঘেরাটোপে মহিলা চিতাটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন বন দফতরের আধিকারিকরা। আর এই ঘটনা সামনে আসার পরেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। চিতাগুলির দেখভাল ঘিরেও উঠছে প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications