এসএসসি'তে বাংলায় ২৬ হাজার চাকরিই বাতিল হবে? হাইকোর্টের রায়কে কেন ঠিক বলল সিবিআই
West Bengal SSC Recruitment Case: স্কুল সার্ভিস নিয়োগ প্রক্রিয়াতেই হয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি। এমনটাই সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। আর সেই শুনানিতে দুর্নীতি হয়েছে বলে জানাল তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের পক্ষেই এদিন মত দিয়েছে। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে সিবিআই'য়ের আইনজীবী এদিন হাইকোর্টকে জানান, ব্যাপক দুর্নীতি নিয়োগে হয়েছে। সাদা খাতা জমা দিয়েও বহু চাকরি হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে তা সঠিক। ফলে এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের রায়কেই মান্যতা দেওয়ার কথা জানায় সিবিআই। তাহলে কি ২৬ হাজার চাকরি বাতিলই হতে চলেছে (West Bengal SSC Recruitment Case)?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার এজলাসে এই মামলার শুনানি চলছে। গোটা শুনানির দিকে নজর রেখেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সর্বোচ্চ আদালত এই মামলায় কি নির্দেশ দেয় সেদিকেই এখনও নজর সবার।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। মামলার শুনানিতে নতুন করে ফের একবার পরীক্ষা নেওয়া যায় কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এমনকী এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না জানতে চাইলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, চাকরির আবেদন না করেও চাকরি পেয়ে গেছে অনেকে। তবে যারা চাকরি পেয়েছেন আবেদন করে তাদের আবার চাকরি নেওয়ার যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন বাম মনোভাবাপন্ন এই আইনজীবী।
শুধু তাই নয়, নিয়োগের পুরো প্যানেল বাতিলের কথাও বলেন। মামলার শুনানিতে অন্যান্য আইনজীবীরাও এই বিষয়ে কার্যত একমত ছিলেন। এক আইনজীবী জানান, কাউন্সেলিংয়ের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম আছে। এক্ষেত্রে সেটাও মানা হয়নি বলে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চকে জানান। অন্যদিকে এদিন রাজ্য সরকারের আইনজীবী সম্পূর্ণ প্যানেল কেন বাতিল করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন? এক্ষেত্রে বেশ কিছু যুক্তিও দেন।
West Bengal SSC Recruitment Case: এক নজরে কলকাতা হাইকোর্টের রায়?
দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের ঘোষণা করে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত দীর্ঘ মামলার শুনানি চলে। শুনানি শেষে শীর্ষ আদালত গোটা প্যানেলটাই বাতিলের নির্দেশ দেয়।
আর এই রায়ে রাতারাতি চাকরি চলে যায় ২৫,৭৫৩ জনের। যোগ্য এবং অযোগ্যদের আলাদা করতে না পারাতেই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশদ দেওয়া হয়। আর এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে।












Click it and Unblock the Notifications