ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট চাওয়ার আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট
ইভিএম মেশিন নয়। ব্যালট পেপারে ভোট করানো হোক। সুপ্রিম কোর্টে এই মর্মে আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদন খারিজ করে দিল সর্বোচ্চ আদালত।
বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং পিবি ভারালের বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়। সেই আবেদন খারিজ করেন দুই বিচারক। এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যও করেছে আদালত। যখন আপনি নির্বাচনে জয়ী হন, তখন ইভিএম টেম্পার করা হয় না৷ আপনি যখন নির্বাচনে হেরে যান, তখন ইভিএম টেম্পার করা হয়।

এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এমনই ইঙ্গিত করছে রাজনৈতিক মহলের একটা অংশ। নির্বাচনের সময় ভোটারদের কাছে টাকা মদ বা অন্যান্য উপাদান দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসে অনেক সময়। সেই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম পাঁচ বছরের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করার হোক। এই আবেদনও রাখা হয়েছে।
শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ ব্যঙ্গাত্মকভাবে সেই বিষয়েও বার্তা দিয়েছে। "আপনার কাছে আকর্ষণীয় পিআইএল আছে। আপনি কী ভাবে এই উজ্জ্বল ধারণা পাচ্ছেন ? এই রাজনীতির মাঠে নামছেন কেন? আপনার কাজের ক্ষেত্রটি খুব আলাদা।"
আবেদনকারী দাবি করেছেন, টেক জায়ান্ট ইলন মাস্কও বলেছেন ইভিএম টেম্পার এবং হ্যাক করা হতে পারে। তিনি আরও যুক্তি দিয়েছেন, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস জগন মোহন রেড্ডিও অতীতে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন।
আবেদনকারী বলেন, বিশ্বের বেশির ভাগ দেশ ব্যালট পেপার ভোটিং প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছে। ভারতকেও সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তখন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের প্রশ্ন , "কেন আপনি বাকি বিশ্বের থেকে আলাদা হতে চান না?"
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ভোটিং মেশিনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন। ব্যালট পেপারে ভোটের বিষয়ে ফের দাবি তুলেছেন তিনি। দেশজুড়ে সেই প্রচার চালানো হবে। সেই কথাও বলা হয়েছে। মহারাষ্ট্রে এমভিএ জোট হেরে গিয়েছে। বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে মহাজুটি জোট। এই ফলাফলের পরেই ফের ইভিএম টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তোলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications