Electoral Bonds order for SBI: রাজনৈতিক দলগুলির 'গৌরী সেন' কে? SBI-কে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
Electoral Bonds order for SBI: সামনেই লোকসভা নির্বাচন। ভোটের মুখে নির্বাচন বন্ড অসংবিধানিক বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে মোদী সরকারের এই প্রকল্পও। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেয়।
শুধু তাই নয়, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া সহ একাধিক ব্যাঙ্ক (Electoral Bonds order for SBI) এই বন্ড যাতে না আর ইস্যু করে সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যা বিজেপি সরকারের কাছে বড় ধাক্কা হিসাবেই দেখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির কাছেও এই নির্দেশ বড় ধাক্কা হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

২০১৭ সালে এই প্রকল্প আনা হলেও ২০১৮ সাল থেকে নির্বাচন বন্ড স্কিম চালু হয়। স্টেট ব্যাঙ্কের (Electoral Bonds order for SBI) বেশ কিছু শাখার মাধ্যমে এই বন্ড কেনার সুযোগ দেওয়া হয়। নুন্যতম এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে এক কোটি টাকা পর্যন্ত বন্ড কিনে পছন্দের রাজনৈতিক দলকে চাঁদা দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যেত। এই ক্ষেত্রে দাতার নাম কোনও ভাবেই প্রকাশ্যে আনা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়। আর এখানেই এদিন আপত্তি তোলে বিশেষ বেঞ্চ। স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, এই সিদ্ধান্ত আরটিআই স্কিমকে ভীষণ ভাবে লঙ্ঘন করছে।
শুধু তাই নয়, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে (Electoral Bonds order for SBI) এদিন নির্দেশ দিয়ে বেঞ্চ বলে, গত ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল থেকে এখনও পর্যন্ত নির্বাচনী বন্ড থেকে কত অর্থ পাওয়া গিয়েছে তা প্রকাশ করতে হবে।
শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক দলগুলির নেওয়া প্রতিটি নির্বাচনী বন্ডের মূল্য এবং কবে সেই বন্ড নেওয়া হয়েছে তাও প্রকাশ করতে হবে। আর তা আগামী ৬ মার্চের মধ্যে প্রকাশের কথাও বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে তাদের ওয়েবসাইটে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আপলোড করার কথাও বলা হয়েছে।
অর্থাৎ বিজেপি সহ দেশের রাজনৈতিক দলগুলির বিপুল আর্থিক জোগান কোথা থেকে বোঝা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকেই আবার কটাক্ষ করে বলছেন, সুপ্রিম নির্দেশে প্রকাশ্যে আসবে গৌরি সেনদের নাম। অন্যদিকে যে সমস্ত বন্ড এখনও ভাঙানো হয়নি সেগুলি ফেরত দিতে দেওয়ার কথাও (Electoral Bonds order for SBI) বলা হয়েছে এদিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। সেই মতো প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত বছর অক্টোবর মাসে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর তা স্থগিত রাখা হয়। আজ বৃহস্পতিবার ভোটের মুখে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত যুগান্তকারী রায় শোনাল সুপ্রিম কোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications