Bilkis Bano Case: বিলকিস-কাণ্ডের দোষীদেরই কেন বেছে বেছে মুক্তি? 'সুপ্রিম' প্রশ্নের মুখে গুজরাট সরকার
Bilkis Bano Case: বিলকিস বানোর ধর্ষণকারীদের কেন মুক্ত করা হল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। ১১ জনের মুক্তির সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। সেই মামলার শুনানিতেই এবার একগুচ্ছ কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হল গুজরাট সরকারকে।
২০০২ সালে গুজরাটের অশান্তির সময় বিলকিস বানোকে গণধর্ষণ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করার অভিযোগ ওঠে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গত বছর স্বাধীনতা দিবসের দিন সেই মামলায় অভিযুক্ত ১১ জনকে মুক্ত করে গুজরাট সরকার।

বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন ও বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার ডিভিশন বেঞ্চে ছিল এই মামলার শুনানি। আজীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কোন যুক্তিতে ওই ১১ জন মুক্তি পেয়ে গেলেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছে গুজরাট সরকারের কাছে।
আদালত প্রশ্ন তুলেছে, যে যুক্তিতে মুক্তি দেওয়া হল, অন্য বন্দিদের ক্ষেত্রে কেন সেই যুক্তি কার্যকর হল না? কেন কয়েকজনকেই বেছে নেওয়া হল? শুধরে নেওয়ার সুযোগ দিতেই যদি মুক্তি দেওয়া হয়, তাহলে সেই সুযোগ বাকিরা পেল না কেন, সেই প্রশ্নের উত্তরও চাওয়া হয়েছে গুজরাট সরকারের কাছে।
ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, সংশোধন করার সুযোগ কেন কয়েকজনের জন্য? জেলে কি বন্দিদের জায়গা হচ্ছিল না? সেই তথ্যও চাওয়া হয়েছে সে রাজ্যের সরকারের কাছে? জেল অ্যাডভাইজরি কমিটি অর্থাৎ যাদের সিদ্ধান্তে মুক্তি পেয়েছিলেন বিলকিস বানোর ধর্ষণকারীরা, সেই কমিটি কিসের ভিত্তিতে তৈরি হল, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
গুজরাট সরকারের তরফে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু আদালতে জানান, আইন মেনেই অভিযুক্তদের মুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, একজন অভিযুক্তের আর্জির ভিত্তিতে বিষয়টি ভেবে দেখার কথা বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তারপরই ১১ জন বন্দিকে মুক্ত করে দেওয়া হয়।
রাধেশ্যাম নামে এক বন্দি দাবি করেছিলেন, ১৫ বছর ৪ মাস জেল খেটেছেন তিনি। মুক্তি চেয়েছিলেন তিনি। সেই সিদ্ধান্ত গুজরাট সরকারের ওপর ছেড়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই ছাড়া পেয়ে যান ১১ জন। 'সংস্কারি ব্রাহ্মণ' বলে উল্লেখ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁদের।












Click it and Unblock the Notifications