জাল ভোটকে চ্যালেঞ্জ করতে 'নতুন' উপায়! যোগী রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশিকা
নির্বাচন আর জাল ভোট যেন অঙ্গ। অনেক ব্যবস্থা নেওয়ার পরেই জাল ভোট বন্ধ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। তবে যোগী রাজ্যে নির্বাচন কমিশন জাল ভোটকে শনাক্ত করতে নতুন উপায় বের করেছে। বলা হয়েছে, এখন থেকে যে কোনও প্রার্থীর এজেন্ট দুই টাকার রশিদ দিয়ে জাল ভোটার চ্যালে়ঞ্জ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসার তদন্ত করবেন। যদি জাল ভোটার পাওয়া যায়, তাহলে ভোটারের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে যিনি এই চ্যালেঞ্জ করেছেন, সেই এজেন্টকে দু-টাখা ফেরত দেওয়া হবে।
সাধারণভাবে ভোটার তালিকায় অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের হয়ে ভোট দিতে ঢোকেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরা। যেসব নির্বাচনী এজেন্টরা এলাকার সবাইকে চেনেন, তাঁরা জাল ভোটার ধরে ফেলেন। সেই সময় অন্য নির্বাচনী এজেন্টের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। এব্যাপারে উত্তর প্রদেশ নির্বাচন কমিশন বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করেছে। পাশাপাশি আধিকারিকদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে।

প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে নির্দিষ্ট ভোট কেন্দ্রের ভোটারদের একটি তালিকা থাকে। সেখানে নথিভুক্ত ভোটাররা ভোট দিতে এলে ভোট দিয়েই ফেরেন তাঁরা। কিন্তু গত কয়েকটি নির্বাচনে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, অনেক জায়গাতেই আসল ভোটাররা ভোট না দিয়েই ফিরে গিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় ভোটার পরিচয়পত্র কিংবা বিকল্প পরিচয়পত্র বহণকারী ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারেন, সেব্যাপারে নজর দেওয়া হবে।
রেজিস্টারে স্বাক্ষর করার পর যদি ভোটারের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করা হয় এবং পদ্ধতি লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে প্রিসাইডিং অফিসার মন্তব্য কলামে ভোট দেওয়ার অনুমতি লিখবেন না। সেক্ষেত্রে ভোটার ভোট দিতে পারবেন না।












Click it and Unblock the Notifications