সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা চেয়ে ৭ মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন স্ট্যালিন, রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন কেন্দ্রীয় সরকারের সীমানা নির্ধারণ পরিকল্পনাকে "ফেডারেলিজমের উপর সরাসরি আক্রমণ" বলে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন নিশ্চিতকারী রাজ্যগুলোকে সংসদে তাদের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আর সেই চিঠি ৭ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও পাঠিয়েছেন। যে তালিকায় আশ্চর্যজনক ভাবে রয়েছে এরাজ্যের নামও।
স্ট্যালিন বলেছেন, "আমরা এই গণতান্ত্রিক অবিচার মেনে নেব না"। তিনি বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতাদের চিঠি লিখে এই অন্যায্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন।

তার চিঠি পেয়েছেন-
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া
তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্থ রেড্ডি
অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান
ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি
স্ট্যালিন উল্লেখ করেছেন যে তিনি দলীয় প্রধানদেরও চিঠি লিখেছেন এবং "এই অন্যায্য প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াইয়ের" আহ্বান জানিয়েছেন।
সীমানা নির্ধারণ (Delimitation) হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে জনসংখ্যার ভিত্তিতে লোকসভায় রাজ্যগুলোর আসন সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করা হয়। ২০২৬ সালে এই প্রক্রিয়া হওয়ার কথা। স্ট্যালিনের আশঙ্কা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা রাজ্যগুলোর আসন সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হতে পারে, যা তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব হ্রাস করবে।
স্ট্যালিন ঠিক কী বলছেন?
তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৬ সালে ৪২তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ স্থগিত করা হয়েছিল এবং ২০০২ সাল থেকে তা ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২০২৬ সালের পর জনসংখ্যার ভিত্তিতে যদি নতুন সীমানা নির্ধারণ করা হয়, তাহলে দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো সংসদে প্রভাব হারাবে। কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি, বরং অস্পষ্ট আশ্বাস দিয়েছে।
স্ট্যালিন লিখেছেন, "কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের উদ্বেগের কোনো সমাধান দেয়নি। তারা শুধু বলছে যে 'প্রো-রেটা' ভিত্তিতে আসন বণ্টন হবে, কিন্তু তার সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিচ্ছে না"।
স্ট্যালিন অন্যান্য রাজ্যগুলিকে "জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি (JAC)" গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং ২২ মার্চ চেন্নাইতে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছেন।
যদিও এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, দক্ষিণের রাজ্যগুলো সীমানা নির্ধারণের ফলে কোনো অবিচারের শিকার হবে না এবং ন্যায্য আসন পাবে। তবে স্ট্যালিন ও অন্যান্য নেতারা এখনও বিষয়টি নিয়ে আশঙ্কিত। আর সেই আশঙ্কা থেকেই এবার স্ট্যালিনের চিঠি গেল ৭ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা












Click it and Unblock the Notifications