SSC Case Hearing: ওএমআর জটেই আটকে রইল ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার ফয়সালা, চাল থেকে কাঁকর আলাদা কীভাবে?

SSC Case hearing: এসএসসির প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের মতো সুপ্রিম কোর্টেও (Supreme Court) একাধিক প্রশ্নের মুখে রাজ্য। অবৈধদের চাকরি বহাল রাখতেই কি অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করা হয়েছিল? রাজ্যকে সরাসরি প্রশ্নবাণ সুপ্রিম কোর্টের। মামলার পরবর্তী শুনানি (Next Hearing) হবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।

গাজিয়াবাদ থেকে সিবিআইয়ের (CBI) উদ্ধার করা হার্ডডিস্কে পাওয়া ওএমআর শিটের (OMR Sheet) তথ্য নিয়েও সন্দিহান শীর্ষ আদালত। ওই তথ্যের কতটা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তা নিয়েই রয়েছে ধন্দ। বৈধ ও অবৈধ প্রার্থীদের আলাদা করা সম্ভব কি না, বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সেবিষয়েই মূল গুরুত্ব আরোপ করা হল।

Supreme court

২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার গোটা প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)। গোটা তালিকা নিয়েই এদিন সন্দেহ প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্চয়ের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নাও (CJI Sanjiv Khanna)। "ডা মে কুছ কালা হ্যায়, ইয়া সব কুছ কালা হ্যায়," এমনটাই মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।

ওএমআর সংরক্ষণ কেন করা হয়নি সেনিয়েও এদিনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হয়েছে এসএসসি। "হাতে আসল ওএমআরই নেই। স্ক্যানিংয়ে অনিয়ম হয়েছে। এসএসসির সার্ভারের নম্বর ও ওএমআরের নম্বর আলাদা। এসএসসির কি উচিত ছিল না মিরর ইমেজ সংরক্ষণ করা?" প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির।

১৩০৭ দিন ধরে অপেক্ষা করছেন চাকরি প্রার্থীরা। এদিকে ওএমআরে জটেই আটকে রইল ফয়সালা। চাল কাঁকড় আলাদা করা সম্ভব কি না তা নিয়ে সন্দিগ্ধ শীর্ষ আদালতও। প্রধান বিচারপতি জানান, "এক্ষেত্রে আসল নথি ওএমআর। মূল কথা হল আমাদের হাতে আসল ওএমআর নেই। মিরর ইমেজও নেই যে আমরা দেখতে পারি।"

গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-তে সবচেয়ে বেশি অবৈধ নিয়োগ। বৈধ ও অবৈধদের চিহ্নিত করতে তাহলে কোন উপায় রয়েছে, তা জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট। এখন পুরোটাই নির্ভর করছে সিবিআইয়ের উপর ও হার্ডডিস্ক থেকে যে ওএমআর উদ্ধার হয়েছে তার উপর। হার্ডডিস্কে কোনও তথ্য বদল করা হয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বৈধ ও অবৈধ চাকরি প্রার্থীদের কীভাবে আলাদা করা সম্ভব হবে, সেই প্রশ্নেরই সমাধান অধরা রইল এদিনের শুনানিতে। ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিটের শুনানি শেষে যোগ্য ও অযোগ্য আলাদা করার পদ্ধতি নিয়েই সন্দিহান সব পক্ষ।

সেক্ষেত্রে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলই বাতিল বহাল থাকবে নাকি কেবল অবৈধ চাকরিপ্রাপকদের চাকরি বাতিল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেল। আপাতত ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলা শোনা হবে নতুন বছরে।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে গত এপ্রিল মাসে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার গোটা প্যানেল বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসারক ও বিচারপতি মহম্মদ সব্বরের ওই রায়ের ফলে চাকরি হারান ২৫ হাজার ৭৫৩ জন। রায়কে চ্যালেঞ্জ করে পাল্টা সুপ্রিমকোর্টে যায় রাজ্য। শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন চাকরিচ্যুত বেশ কয়েকজন। আলাদা করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদও মামলা করে বলে খবর।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+