রাহুল গান্ধীর ভাষণের কিছু অংশ বিতর্কের মধ্যেই মুছে ফেলা হল লোকসভায়?
রাহুল গান্ধীর ভাষণের কিছু অংশ মুছে ফেলা হল? তাও আবার লোকসভা অধিবেশনের সময়ে? কিন্তু কেন? কী এমন বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি? যাতে এই সিদ্ধান্ত নিতে হল? বিজেপিকে গতকাল সোমবার তিনি আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছিলেন। সাম্প্রদায়িক বিভাজনের জন্য বিজেপির দিকে আঙুল তোলেন।
তারপরই ভাষণের অংশ মোছা হয়। এমন কথা সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। লোকসভায় বিতর্কে গতকাল বক্তব্য রেখেছিলেন রাহুল। সোমবার জোরদার আক্রমণে গিয়েছিলেন রাহুল। একাধিক বিষয়ে আক্রমণ শানান। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই বক্তব্যের অংশ মুছে দেওয়ার কথা জানা যায়।

সাম্প্রদায়িক বিভাজনের জন্য দেশের শাসক দল বিজেপিকে নিশানা করেছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, হিন্দুদের অপমান করেছেন রাহুল। এই অভিযোগ বিজেপির থেকে তোলা হয়। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাহুলকে লোকসভাতেই এই বিষয়ে কটাক্ষ করেন। হিন্দু সম্প্রদায়কে রাহুল গান্ধী এভাবে দোষারোপ করতে পারেন না। সেই কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।
গান্ধী নবী মহম্মদের উদ্ধৃতি তুলে ধরেন। ভগবান শিব, গুরু নানক এবং যীশু খ্রিস্টের ছবি তুলে ধরেন লোকসভায়। তিনি নির্ভীকতার গুরুত্ব বোঝাতে হিন্দু ধর্ম, ইসলাম, শিখ ধর্ম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং জৈন ধর্মের উল্লেখ করেছিলেন।
সংখ্যালঘুদের সঙ্গে শাসক দল অন্যায় আচরণ করছে। শিল্পপতি আদানি এবং আম্বানি সম্পর্কে মন্তব্য করেন। নিট পরীক্ষা ধনীদের জন্য। গরিবদের কোনও স্থান নেই। অগ্নিবীর স্কিম ভারতীয় সেনাবাহিনীর নয়, পিএমও (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) এর। এমন অভিযোগ করে বিজেপিকে বিদ্ধ করেন রাহুল গান্ধী৷
বিরোধী দলনেতা হিসেবে লোকসভায় গতকাল প্রথম বক্তব্য রেখেছেন রাহুল গান্ধী। বিজেপি ও অন্যান্য শরিক দল তীব্র নিন্দা করেন তাঁর বক্তব্যের। অমিত শাহ, রাজনাথ সিংরা তীব্র প্রতিবাদ করেন।
রাহুল বলেন, "বিরোধীদের শত্রু ভাববেন না। আপনারা যে কোনও বিষয়ে আলোচনা করতে আমরা প্রস্তুত। আসুন আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করি।" প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র তাঁর বক্তব্যে রাহুলের সমালোচনা করেছেন। মোদী বলেন, "এই বিষয়টি খুবই গুরুতর। সমগ্র হিন্দু সম্প্রদায়কে সহিংস বলা একটি গুরুতর বিষয়।"
রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খার্গের কিছু অংশও সংসদের নথি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। 'সত্যনাশ', 'ঘামন্ড', 'মুজরা' শব্দগুলি বাদ দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications