উপেক্ষিত থারুর? কংগ্রেসের শীর্ষ বৈঠকে না যাওয়ার ইঙ্গিত
দলীয় রাজনীতিতে ফের নীরব টানাপোড়েন। কেরলের কোচিতে 'মহা পঞ্চায়েত' অনুষ্ঠানে উপেক্ষিত বোধ করায় দিল্লিতে কংগ্রেস উচ্চ নেতৃত্বের ডাকা প্রস্তুতি বৈঠক এড়িয়ে যেতে পারেন দলের বর্ষীয়ান নেতা শশী থারুর, দলীয় সূত্রে এমনই ইঙ্গিত।
কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির ওই কর্মসূচিতে ১৯ জানুয়ারি উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হলেও থারুরকে মঞ্চের প্রান্তে আসন দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাই ক্ষোভের সুর আরও গভীর করেছে বলে জানা গেছে।

জানাগেছে রাহুল গান্ধী দীর্ঘ সময় বক্তব্য রাখবেন এ কথা আগে থেকেই থারুরকে জানানো হয়েছিল। অন্য নেতাদের বক্তব্য সংক্ষেপে রাখার নির্দেশও ছিল। সেই বুঝেই থারুর নিজের বক্তব্য কমিয়ে আনেন। কিন্তু পরবর্তীতে একাধিক নেতার দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি বিস্মিত ও বিড়ম্বিত হন বলে জানতে পারা গেছে।
রাহুল গান্ধী তাঁর ভাষণে কেরলের নানা নেতা নেত্রীর নাম উল্লেখ করলেও থারুরের নাম উচ্চারণ না করায় আরও অস্বস্তি তৈরি হয়। যার জেরে দিল্লির কেন্দ্রীয় বৈঠকে উপস্থিত না থাকার সিদ্ধান্তে তিনি অনড় বলে সূত্রের দাবি।
এদিকে, কংগ্রেস উচ্চকমান্ডের বার্তা স্পষ্ট দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও শৃঙ্খলাভঙ্গ জনসমক্ষে মান্য নয়। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে সিনিয়র নেতাদের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে কঠোর নির্দেশ জারি হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি ভেনুগোপাল, পাঞ্জাব দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূপেশ বাঘেল, অম্বিকা সোনি সহ অন্যান্যরা।
বৈঠকের পরে ভেনুগোপাল সাংবাদিকদের জানান, দলের অভ্যন্তরীণ মতভেদ বা ক্ষোভ প্রকাশের একমাত্র মঞ্চ দল নিজেই মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়া নয়। শৃঙ্খলা ভঙ্গ সংক্রান্ত মন্তব্য থেকে বিরত থাকার জন্য পরিষ্কার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দিল্লির বৈঠকে থারুর না গেলে দক্ষিণে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অস্বস্তি আরও বাড়বে বলেই মনে করছে পর্যবেক্ষকদের একাংশ।












Click it and Unblock the Notifications