পুরীতে জগন্নাথ রথযাত্রায় পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি, আহত বহু
পুরীতে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রায় ব্যাপক ভক্ত সমাগম। এই যাত্রায় এদিন পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই ঘটনায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অনেককেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পুরীর বড় ডান্ডায়।
এদিন রথ টানার সময় দুর্ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আহতকে জরুরি চিকিৎসার পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে এদিন পুরীর শঙ্করাচার্য স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার রথের দর্শন করেন। তাঁরা রথ পরিষ্কার করার আচারও পালন করেন। তারপর বিকেল ৫.২০-তে রথ টানা শুরু হয়।
রথের মধ্যে কাঠের ঘোড়া স্থাপন করা হয়েছিল। সেবাদাররা ভক্তদের রথটিকে সঠিক দিকে টেনে নিয়ে যেতে গাইড করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। তিনি সেখানে প্রমাণ করেন।
প্রায় ৪৫ ফুট উঁচু রথ টানতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। ভক্ত ও সেবাইতরা পিতলের বড় করতাল ও হাতে ঢোল বাজিয়ে রথে ঘিরে ছিলেন। রথযাত্রা শহরের প্রধান সড়ক দিয়ে ধীর গতিতে এগিয়ে যায়। প্রশাসনের অনুমান এবার প্রায় দশ লক্ষ ভক্ত উৎসবে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের বেশিরভাগই ওড়িশা এবং প্রতিবেশী রাজ্যের। তবে বেশ কিছু মানুষ বিদেশ থেকেও আসেন প্রতিবারই। কিছু কারণে ৫৩ বছর পর এবার রথযাত্রা দুইদিনের।
পুরীর পুলিশ সুপার য়পিনাক মিশ্র জানিয়েছে রথযাত্রা উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তার আয়োজন করা হয়েছে। ১৮০ প্ল্যাটুন (এক প্ল্যাটুনে ৩০ জন) নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এআই ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরাও লাগানো হয়েছে।
পুরীর রথযাত্রার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। জগন্নাথকে বের করে বিখ্যাত গুন্ডিচা মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে .জগন্নাথ সাত দিন বিশ্রাম নেন। এই সময় গুণ্ডিচা মাতার মন্দিরে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়। দ্বাদশ শতাব্দীর পুরীর জগন্নাথ মন্দির থেকে গুণ্ডিচা মন্দিরের দূরত্ব প্রায় আড়াই কিমি।












Click it and Unblock the Notifications