Sikkim: শিলিগুড়ি-গ্যাংটক যোগাযোগ বিদ্ধিন্ন, আটকে ১৫০০ পর্যটক, লাচুং-লাচেন বিধ্বস্ত প্রবল বর্ষণে
সিকিমে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রবল বর্ষণে সিকিমের একাধিক জায়গায় প্রবল ধস। এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। উত্তর সিকিমের লাচেনের রাস্তা ধসে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে গ্যাংটক থেকে শিলিগুড়িগামী জাতীয় সড়ক ধসের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
আগামী ২-৩ িদন সিকিম সহ উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেকারণে দার্জিলিং থেকে অবিলম্বে পর্যটকদের ফিরে আসার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কালিম্পংয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ। একাধিক জায়গায় ধস নামতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে পর্যটকদে পাহাড় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যেই সিকিমে প্রবল বর্ষণের কারণে তিস্তার জল বেড়ে গিয়েছে। রীতিমতো ফুঁসছে তিস্তা। গ্যাংটক থেকে শিলিগুড়িগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে উত্তর সিকিমের লাচুং লাচেন বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উত্তর সিকিমের এই দুই জায়গা।
পর্যটকদের উদ্ধারের তোরজোর করা হচ্ছে। এদিকে পাহাড়ে লাগাতার বর্ষণের জেরে তিস্তার জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। জলপাইগুড়ি শহরের গা ঘেসে বয়ে গিয়েছে তিস্তা। অতি বর্ষণে তিস্তা এবং তোর্সা নদীর জলস্তর বাড়তে শুরু করে দিয়েছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীতে জল বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। তার জন্য সেচ দফতরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই সেচ দফতর তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়তে শুরু করে দিয়েছে। ২৪৬২ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে তিস্তায়। বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে আগে থেকে। জল ছাড়ার পরিমান আরও বাড়তে পারে। সেকারণে প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্ষার শুরু থেকেই বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ এবং সিকিম। পর্যটকদের নিরাপদে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। ইতিমধ্যেই উত্তর সিকিমের একাধিক জায়গার রাস্তা সারাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। জনজীবন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications