Sikkim: সিকিম সিমান্তে চিনের দুর্ধর্ষ পরিকল্পনা, স্যাটলাইট ছবিতে ধরা পড়ল হাড়হিম করা ছবি
সিকিমে চিন সীমান্তে হঠাৎ হাজির অদৃশ্য শত্রু। যাকে নাকি খালি চোখে দেখা যায় না। স্যাটেলাইটেই কেবল তার অস্তিত্ব ধরা পড়ে। খবর ছড়িয়ে পডতেই যাকে বলে হইহই কাণ্ড পড়ে গিয়েছে। ভারতীয় সেনার ঘুম উড়ে যাওয়ার মতোই খবর। কিন্তু কে এই অদৃশ্য শত্রু।
চিনের এক অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান। যার নাম J-20।সিকিম সীমান্ত থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে বেজিং। সিকিমের ইন্দো চিন সীমান্ত থেকে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার দূরে সেই যুদ্ধ বিমান নাকি মোতায়েন করেছে বেজিং।

কী এই J-20 বিমানের বিশেষত্ব শুনতে চমকে উঠবেন। এই যুদ্ধবিমানগুলি এতোটাই ছোট েয রেডারে ধরা পড়ে না। একেবারে কাছাকাছি কোনও এলাকায় চলে এলে তবেই রেডারে ধরা দেয়। সেই রেডারও অত্যন্ত শক্তিশালী হতে হবে। কেবল মাত্র উপগ্রহেই ধরা পড়ে এই বিমান। অল সোর্স অ্যানালেসিসের উপগ্রহ চিত্রে এই বিমানের অস্তিত্ব ধরা পড়েছে সিকিম সীমান্তে।
গত কয়েক বছরে বেজিংয়ের সঙ্গে সীমান্তে তুমুল অশান্তি চলছে ভারতের। সিকিমের ডোকা লা থেকে শুরু করে লাদাখ। একের পর এক জায়গায় চিনা ফৌজের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ভারতীয় সেনা। লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনা ফৌজের সঙ্গে ভারতীয় সেনার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তার পর থেকে এখনও পর্যন্ত লাদাখে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত নিয়ে জটিলতা মেেটনি।
এরই মাঝে আবার সিকিম সীমান্তে চিনের অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমানের দেখা মেলায় নতুন করে সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে ভারতীয় সেনার। এদিকে স্যাটলাইট ছবিতে ধরা পড়েছে শুধু J-20 যুদ্ধ বিমান নয় J-10, KJ-500 নামের দুর্ধর্ষ যুদ্ধবিমানেরও দেখা মিলেছে সেখানে। হঠাৎ করে কেন সীমান্তে এতোগুলো যুদ্ধ বিমানের আনাগোনা সীমান্তে তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনা এই নিয়ে তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে। কী পরিকল্পনা শুরু করেছে বেজিং সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। এতোগুলো যুদ্ধ বিমান কেন এখানে হাজির হল সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। এদিকে লাদাখে এখনও সীমান্ত সমস্যা মেটাতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। দফায় দফায় সেনা পর্যায়ের বৈঠক হলেও এখনও সেই সমস্যা মেটেনি।












Click it and Unblock the Notifications