CM In Trouble: হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপালের আদেশ বহাল, চলবে জমি কেলেঙ্কারির তদন্ত
CM In Trouble: হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন রাজ্যপাল।
সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মুখ্যমন্ত্রী দ্বারস্থ হয়েছিলেন হাইকোর্টে। যদিও সেই পিটিশন খারিজ করে তদন্তের নির্দেশ বহালই রইল। যা অস্বস্তি বাড়াল মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর পদত্যাগের জোরালো দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

ঘটনা কর্নাটকের। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া আগে যখন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে ছিলেন তখনকার জমি কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, মাইসুরু আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির ১৪টি প্লট স্ত্রী বিএম পার্বতীর নামে করিয়ে নেন সিদ্দারামাইয়া।
মুডার আবাসন প্রকল্পের জন্য পার্বতী ৩.১৬ একর জমি দিয়েছিলেন। তার পরিবর্তে বিকল্প জমি পাওয়ার কথা ছিল পার্বতীর। তবে যে ১৪টি সাইট নিয়ে বিতর্ক, সেই জমিগুলি মাইসুরুর অভিজাত এলাকায়। পার্বতীর মূল জমির দামের চেয়েও অনেক বেশি। সেগুলিই স্ত্রীর নামে করার অভিযোগ উঠেছে সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে।
প্রদীপ কুমার এস পি, টি জে আব্রাহাম ও স্নেহময়ী কৃষ্ণার অভিযোগের প্রেক্ষিতে জমি দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ গত ১৬ অগাস্ট দেন রাজ্যপাল। ১৯৯৮ সালের প্রিভেনশন অব কোরাপশন অ্যাক্টের ১৭এ ধারা এবং ২০২৩ সালের ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ২১৮ নম্বর ধারা-বলে এই তদন্তের নির্দেশ দেন রাজ্যপাল।
রাজ্যপাল থাওরচাঁদ গেহলটের সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করেই সিদ্দারামাইয়া কর্নাটক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কয়েক দফা শুনানির পর আজ বিচারপতি নাগাপ্রসন্ন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন খারিজ করে তদন্ত চলবে বলে নির্দেশ দেন।
সিদ্দারামাইয়ার দাবি ছিল, রাজ্যপাল যে নির্দেশ দিয়েছেন তা আইনগতভাবে সঠিক নয়, প্রক্রিয়াগত ত্রুটি রয়েছে এবং নানাবিধ বাহ্যিক কারণে প্রভাবিত হয়ে এই নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও বিচারপতি জানান, আবেদনকারীর পিটিশনই বলে দিচ্ছে এর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। কেন না, এই ঘটনায় সুবিধাভোগী বাইরের অন্য কেউ নন, আবেদনকারীর পরিবারেরই সদস্য।
সিদ্দারামাইয়া কর্নাটকের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে কাল আর্জি জানাতে পারেন। তদন্তে স্থগিতাদেশ চেয়ে। যদি সেই আবেদন গৃহীত হয় তাহলে তিনি সাময়িক স্বস্তি পাবেন। তবে আজ হাইকোর্টে তিনি হোঁচট খেতেই কর্নাটকের বিজেপি সভাপতি বি ওয়াই বিজয়েন্দ্র পদত্যাগ দাবি করেছেন সিদ্দারামাইয়ার। যদিও কর্নাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার বলেন, গোটাটাই বিজেপির ষড়যন্ত্র। আমাকেও জেলে পাঠিয়েছিল। সিদ্দারামাইয়াও যে নির্দোষ তা প্রমাণ হবে। ফলে পদত্যাগের প্রশ্নই নেই।












Click it and Unblock the Notifications