'আমায় অপমান করেছিল ইন্দ্রাণী', বয়ানে জানালেন পিটার মুখার্জী
মুম্বই, ১৪ সেপ্টেম্বর : শিনা বোরা হত্যা কাণ্ডে নয়া তথ্য সামনে এল। এই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিষুক্ত ইন্দ্রাণী মুখার্জীর সঙ্গে তার বর্তমান স্বামী পিটার মুখার্জীর সম্পর্কটা ঠিক কেমন ছিল, তা এইবার সামনে এল। [শিনা বোরা হত্যা কাণ্ড: খুন হওয়ার সময় ইন্দ্রাণীর 'খুব খুব ঘণিষ্ট' এক ব্যক্তির সন্তান শিনার গর্ভে ছিল!]
খার থানায় পিটার মুখার্জী জানিয়েছেন, সবার উপর প্রভুত্ব ফলানোর প্রবণতা ছিল ইন্দ্রাণীর। এমনকী মাঝে মধ্যে গালিগালাজও করত ইন্দ্রাণী। সম্পত্তির অধিকার হস্তান্তর নিয়ে বারবার রাগারাগি করত, তাকে চাপ দিত বলেও জানিয়েছেন পিটার।

খার থানার এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন এরপরই পিটার নয়াদিল্লির সম্পত্তি, ওরলিতে ডুপ্লেক্স বাড়ি এবং লন্ডনের সম্পত্তিতে ইন্দ্রাণী পঞ্চাশ-পঞ্চাশ অংশীদার বানিয়েছিলেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পিটারের এই স্বীকারোক্তি ইন্দ্রাণীর বিরুদ্ধে তাদের মামলাকে আরও জোরদার করবে। [শিনার মৃত্যুর পরও তাকে ও মিখেইলকে হুমকি ইমেল পাঠাতেন ইন্দ্রাণী মুখার্জী!]
নিজের মেয়েকে খুন করার অভিযোগে আপাতত ইন্দ্রাণী মুখার্জী বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। শিনা ও মিখেইল যে ইন্দ্রাণীর ভাইবোন নয় বরং সন্তান সে তথ্য গোপন রাখার জন্য ইন্দ্রাণীর কাছ থেকে শিনা ও মিখেইল টাকার দাবি করে হুমকি দিত বলেও জানা গিয়েছে।
সোমবার পিটার মুখার্জীর বয়ান নেয় খার থানার পুলিশ। এর পর অবশ্য তাকে জেরা করার জন্য আর ডাকা হয়নি। এর পিছনে একটি মুখ্য কারণ হতে পারে পুলিশ কমিশনার রাকেশ মারিয়া এবং এই মামলার মূল তদন্তকারী আধিকারিকের স্থানান্তর হয়েছে। আহমেদ জাভেদ মুম্বই পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন। [শিনা বোরা হত্যাকাণ্ড : বড় মাথা টানতে গিয়ে সরলেন মারিয়া?]
আপাতত এই মামলার তদন্ত কে করছে তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। মারিয়া নিজের দায়িত্ব ছেড়েছেন ঠিকই কিন্তু এখনও লিখিতভাবে নিজের সম্মতি জানাননি। এমতাবস্থায় মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাডনবিশ এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।












Click it and Unblock the Notifications