Share Market Crash: নেতিয়ে শেয়ার বাজার, তীব্র পতন সূচকে; মন্দার নেপথ্যে কী কী কারণ?
Share Market Crash: ভারতীয় শেয়ার বাজারে রক্তক্ষরণ। সোমবার কার্যত ধস নেমেছে শেয়ার বাজারে। গত শুক্রবার ৭৫ হাজার ৩১১. ০৬ সূচকে বন্ধ হয়েছিল সেনসেক্স (Sensex)। এদিন ৮১৭ পয়েন্ট কমে ৭৪ হাজার ৪৯৩.৯৭ সূচকে বাজার খোলে।
২৪৭.৫৫ পয়েন্ট কমে নিফটি (Nifty) নেমে যায় ২২ হাজার ৬০০ সূচকের নিচে। কিন্তু কেন এই খরার মরশুম? বিশেষজ্ঞদের মতে, নেতিবাচক সূচকের সঙ্গেই বাজার খোলে সোমবার। ওয়াল স্ট্রিটের সূচকও গত শুক্রবার নিম্নমুখীই ছিল।

শুল্কযুদ্ধের আঁচ মার্কিন অর্থনীতিতেও। এছাড়াও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ধারাবাহিকভাবে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা শেয়ার বাজারে মন্দার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু ফেব্রুয়ারিতেই ভারতীয় বাজার থেকে ২৩ হাজার ৭১০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা।
বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই ২০২৫ সালে ১ ট্রিলিয়নেরও বেশি টাকা নির্গত হয়ে গিয়েছে। একা জানুয়ারিতেই ৭৮ হাজার ২৭ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। এখনও অবধি যার জেরে মোট এফপিআইয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ১ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা।
শুক্রবার নিম্নগামী ট্রেডে ওয়াল স্ট্রিটের বাজার বন্ধ হওয়া মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ৩০টি বিশিষ্ট কোম্পানির স্টক মার্কেট সূচক ডাও জোন্সের ৫০০ পয়েন্ট পতনও শেয়ার বাজারে প্রভাব ফেলেছে। ফেব্রুয়ারিতে প্রত্যাশার চেয়ে তাই বেশি পতন লক্ষ্য করা গেল শেয়ার বাজারে।
শেয়ার বাজারের পতনের আরেকটি অন্যতম কারণ হল রাশিয়া ও ইউক্রেন দ্বন্দ্ব। রবিবারই ইউক্রেনে সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে চলা যুদ্ধে এটাই সবচেয়ে বড় সিঙ্গেল ড্রোন অ্যাটাক ছিল। যুদ্ধের আগুন কি তবে এখনও নেভেনি? সেই আশঙ্কার প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে।
এছাড়াও বাহ্যিক বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তার মধ্যে রয়েছে টাকার দামে পতন, মার্কিন ডলার রিজার্ভে পতন এবং একইসঙ্গে বাণিজ্যে ঘাটতি আরও চওড়া হওয়ার দরুণ প্রভাব পড়েছে স্টক মার্কেটে। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ছাড়াও শেয়ার বাজারে ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে চিনা স্টক মার্কেট। গত কয়েক দিনে উত্থান লক্ষ্য করা গিয়েছে চিনের স্টক মার্কেটে। ভারতীয় শেয়ার বাজারের ক্ষেত্রে যা মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications