চাঞ্চল্য না কী উদ্বেগ? হিন্ডেনবার্গ বনাম সেবি ইস্যুতে বিশেষজ্ঞ এবং বিরোধীরা কী বলছেন?
হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের সাম্প্রতিক অভিযোগ ঘিরে হইচই। সেবি চেয়ারপার্সন মাধবী পুরি বুচ বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। যদিও অনেক বিশেষজ্ঞ, এই দাবিগুলিকে ভিত্তিহীন এবং চাঞ্চল্যকর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। ইনফোসিসের প্রাক্তন সিএফও মোহনদাস পাই এবং দীপক শেনয় রিপোর্টকে সারবত্তাহীন বলে সমালোচনা করেছেন। এদিকে জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটির দাবির সুযোগ নিয়েছে বিরোধীরা।
প্রাক্তন ইনফোসিস সিএফও মোহনদাস পাই হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগগুলি সম্পর্কে খোঁচা দিয়েছেন। তিনি সেবির নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়াকেও আড়াল করার চেষ্টা করেছেন। পরামর্শ ও বাজারদর, অবস্থান সব কিছুর উপর লক্ষ্য রাখা হয়। অংশগ্রহণকারী ও নিয়ন্ত্রকদের প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়। এমনই দাবি তাঁর।

দীপক শেনয়, ক্যাপিটাল মাইন্ডের সিইও। তিনি হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট সম্পর্কে সংশয় প্রকাশ করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, একটু বেশিই হয়ে গিয়েছে। মনে হয়, মূলত তারা চাঞ্চল্যকরতায় পৌঁছে গিয়েছে।
ট্যাক্স আইনজীবী অজয় রটিও রিপোর্টের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি সংযোগগুলিকে "হাস্যকর" হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের লক্ষ্য ভারতীয় বাজারকে অস্থিতিশীল করা।
কংগ্রেস নেতা, রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে এই বিতর্কে মন্তব্য করেছেন। তিনি জেপিসি তদন্তের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, ছোট এবং মাঝারি বিনিয়োগকারীরা, যারা তাদের কষ্টের টাকা দিয়ে সেবিকে বিশ্বাস করে, তাদের সুরক্ষার প্রয়োজন।
এই বিতর্কে অবিলম্বে সরকারি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন, কংগ্রেসের নেতা জয়রাম রমেশ। 'আদানি মেগাস্ক্যাম' বহু দিন ধরেই বিরোধীদের চর্চায়। এই কথাও উঠে এসেছে। তিনি একটি যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠনের পক্ষে কথা বলেন। আদানি কেলেঙ্কারির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে বলা হয়েছে। যথাযথ রিপোর্ট দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
ঘটনায় রাখঢাক না করে মন্তব্য করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র৷ আদানি গ্রুপে অস্বচ্ছ বিনিয়োগকারী হওয়ার জন্য বুচের সমালোচনা করেন। সেবির দিকেও তিনি আঙুল তুলেছেন। হিন্ডেনবার্গের উদ্ঘাটন, সেবি প্রধানকে বাকি তদন্তকে মুলতুবি রেখে পদত্যাগ করতে হবে। এমনই দাবি করেছেন আরেক তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ।
মার্কিন সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের তথ্য নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে ভারতে। সেবির চেয়ারপার্সন মাধবী পুরি বুচ ও ব্যবসায়ী গৌতম আদানির সংস্থার সম্পর্ক প্রকাশ পেয়েছে। সেবির চেয়ারপার্সন মাধবী বুচ ও তাঁর স্বামী ধবল বুচ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে আছেন। স্বামী - স্ত্রী দুজনেই আদানির তহবিলের মালিকানার অংশীদার ছিলেন। এই কথাও জানা গিয়েছে।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications